পাঁচবিবি পৌরসভায় মেয়র পদে ছয়জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এর মধ্যে একজন আওয়ামী লীগ মনোনীত ও পাঁচজন স্বতন্ত্র প্রার্থী। ৯টি ওয়ার্ডে সাধারণ কাউন্সিলর পদে ৪৯ জন, ৩টি সংরক্ষিত নারী ওয়ার্ডে ১৭ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। মোট ভোটারসংখ্যা ২১ হাজার ৯১। সীমানা জটিলতার মামলায় ২০১১ সালের পর আর নির্বাচন হয়নি। দীর্ঘ ১১ বছর পর আজ বুধবার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

সকাল ৭টা ৫০ মিনিটে পাঁচবিবি মহিলা কলেজ ভোটকেন্দ্র গিয়ে দেখা গেছে, নারী ও পুরুষ ভোটাররা পৃথক লাইনে দাঁড়িয়ে আছেন। আটটার সময় ভোট শুরু হয়। নারী বুথে প্রথম ভোট দিয়েছেন পশ্চিম বালিঘাটা মহল্লার ববিতা রানী মাহাতো (৪৫)। পুরুষ বুথে প্রথম ভোট দেন পাটাবুকা মহল্লার নুরুল ইসলাম (৬৩)। ববিতা রানী মাহাতো বলেন, ‘মুই গেনু আর মেশিনত টিপ দিয়ে ভোট দিনু। মোর ভোট দিতে কোনো ঝামেলা হয়নি।’ নুরুল ইসলাম বলেন, ভোট দিতে সময়ই লাগেনি। কোনো ঝামেলায় পড়তে হয়নি। এত সুন্দরভাবে ভোট দিতে পারবেন, এমনটা ভাবতে পারেননি তিনি।

পশ্চিম বালিঘাটা মহল্লার ৮০ বছর বয়সী আবেদা খাতুন একাই গোপন কক্ষে গিয়ে ভোট দিতে পারেননি। তিনি নাতনি ইফশিতা হককে সঙ্গে নিয়ে ভোট দিয়েছেন। তিনি বলেন, চোখে দেখলেও মেশিনে ভোট দিতে অভ্যস্ত নন। নাতনি শিখিয়ে দিয়েছে আর তিনি ভোট দিয়েছেন।

সকাল সাড়ে আটটায় স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী সাবেকুন নাহার শিখা ভোটকেন্দ্রে এসেছিলেন। তিনি বলেন, ‘আমি দুটি ভোটকেন্দ্রে গিয়েছি। এই দুটি ভোটকেন্দ্রের শুরুর পরিবেশ খুব ভালো লেগেছে।’

এই কেন্দ্রের প্রিসাইডিং কর্মকর্তা সোহরাব হোসেন, সকাল আটটায় ভোট শুরু হয়েছে। ভোটাররা নির্বিঘ্নে ভোট দিচ্ছেন।

পাঁচবিবি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা পলাশ চন্দ্র দেব বলেন, এখন পর্যন্ত নির্বাচনে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। শান্তিপূর্ণভাবে ভোট গ্রহণ চলছে। কেউ শান্তিপূর্ণ ভোটের পরিবেশ নষ্ট করতে চাইলে তাঁকে ছাড় দেওয়া হবে না বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন