আটক ব্যক্তিরা হলেন দিগড় ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য ও বিএনপি নেতা বদিউজ্জামান, আজহার, যুবদল নেতা ফারুক, আলফাজ উদ্দিন, লিটন, নজরুল ইসলাম, হোসেন আলী, আবদুস সামাদ ও বশির আহমেদ।
পুলিশের দাবি, নাশকতার উদ্দেশ্যে তাঁরা সভা করছিল। পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে তাঁরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ককটেল ও ইটপাটকেল ছোড়েন। পুলিশ ফাঁকা গুলি ছুড়ে তাঁদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়।

তবে ঘাটাইল পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ফারুক হোসেন দাবি করেন, ১০ ডিসেম্বর ঢাকা বিভাগীয় মহাসমাবেশ সফল করতে শান্তিপূর্ণ কর্মিসভার আয়োজন করা হয়েছিল। পুলিশ সেখানে কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণ করে এবং কয়েকটি ফাঁকা গুলি ছুড়ে সভা পণ্ড করে দেয়। এ সময় ৯ জনকে আটক করে নিয়ে যায় পুলিশ।
স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সাবেক প্রতিমন্ত্রী আজাদের অনুসারীরা ভিটিপাড়া ঈদগাহ মাঠে সভা করছিলেন। তখন পুলিশ গিয়ে তাঁদের ঘিরে ফেলে। তখন কয়েকটি গুলি ও ককটেল বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। তবে এতে কেউ হতাহত হননি।

ঘাটাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজহারুল ইসলাম সরকার বলেন, বিএনপির নেতা-কর্মীরা নাশকতার উদ্দেশ্যে উপজেলার কাশতলা ভিটিপাড়া এলাকায় জমায়েত হয়েছেন—এমন খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। এ সময় তাঁরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ককটেল ও ইটপাটকেল ছুড়লে পুলিশ পাঁচটি ফাঁকা গুলি ছুড়ে তাঁদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়।

ওসি আজহারুল ইসলাম আরও বলেন, ঘটনাস্থল থেকে বিএনপির ৯ নেতা-কর্মীকে আটক করার পাশাপাশি সাতটি ককটেল উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা লুৎফর রহমান খান বলেন, আগামী ১০ ডিসেম্বর ঢাকা বিভাগীয় গণসমাবেশ সফল করতে শান্তিপূর্ণভাবে কর্মী সমাবেশ করছিল বিএনপি। পুলিশ গুলি ছুড়ে সমাবেশ পণ্ড করে দেয়। এ সময় ৮-১০ জন নেতা-কর্মীকে আটক করে পুলিশ। পুলিশই ককটেল রেখে গতানুগতিকভাবে নাটক সাজিয়েছে। তিনি দ্রুত আটক নেতা-কর্মীদের মুক্তির দাবি জানান।