লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, রাকিব হোসেন ওই নারীকে দীর্ঘদিন ধরে ফোনে নানা কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন। আজ সকাল সাড়ে ১০টায় কাজের কথা বলে ওই নারী সহকর্মীকে নিজের কার্যালয়ে ডেকে আনেন রাকিব হোসেন। এরপর নিজের কক্ষে ডেকে নিয়ে ওই নারীকে যৌন নিপীড়ন করেন তিনি। এ সময় তাঁর চিৎকারে এক অফিস সহকারী ছুটে এসে তাঁকে উদ্ধার করেন।

অফিস সহকারী শরিফুল ইসলাম বলেন, অনেক দিন ধরেই রাকিব হোসেন ওই নারী কর্মীকে বিরক্ত করছেন। বিষয়টি সবারই জানা।

এ অভিযোগের বিষয়ে কথা বলার জন্য রাকিব হোসেনের মুঠোফোনে আজ দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত কয়েকবার ফোন দিলেও তা বন্ধ পাওয়া যায়।

উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মুর্শেফুল ইসলাম মুঠোফোনে বলেন, তিনি গুরুদাসপুর উপজেলায় কর্মরত; তবে সিংড়াতেও অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগে তিনি ওই পরিদর্শকের বিরুদ্ধে মৌখিক অভিযোগ পেয়েছেন। কাল সোমবার সিংড়ায় গিয়ে লিখিত অভিযোগ দেখে ব্যবস্থা নেবেন।

সিংড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, ঘটনাটি জানার পর থানার এক পরিদর্শককে (তদন্ত) ঘটনাস্থলে পাঠিয়েছিলেন। কিন্তু অভিযুক্ত ব্যক্তিকে তিনি পাননি। তাঁকে আটকের চেষ্টা চলছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এম এম সামিরুল ইসলাম লিখিত অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, এ বিষয়ে থানার পুলিশকে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

নাটোর জেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের উপপরিচালক মাহফুজা খানম বলেন, এ ব্যাপারে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হচ্ছে। কমিটির প্রতিবেদন পাওয়ার পর এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।