গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে ধামইরহাট উপজেলা সদরের টিঅ্যান্ডটি মোড় এলাকায় ধামইরহাট শেখ রাসেল ক্লাবের সদস্য ও যুবলীগের নেতা–কর্মীদের ওপর হামলা, ক্লাবে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার পর রাতেই অভিযান চালিয়ে যুবদল ও ছাত্রদলের চার নেতাকে আটক করা হয়। এরপর আজ সকালে ইনজামামুল হক সরকার বাদী হয়ে মামলা করেন। পরে ওই চার নেতাকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

মামলার এজাহারে বলা হয়, গতকাল সন্ধ্যায় শেখ রাসেল ক্লাবে ইনজামামুল হক সরকার ও শেখ রাসেল ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মাহবুব আলমসহ যুবলীগ ও ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতা–কর্মী বসে রাজনৈতিক আলাপ করছিলেন। সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে ধামইরহাট পৌর বিএনপির আহ্বায়ক নুরুল ইসলাম ও উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক তৌহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে ৩০–৪০ জন সন্ত্রাসী ওই ক্লাবে হামলা চালায়। এ সময় খেলনা ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মিঠুন কুমার আহত হন। হামলাকারীরা ক্লাবের বেশ কিছু চেয়ার ও আসবাব ভাঙচুর করেছে, যার আনুমানিক মূল্য প্রায় ৫০ হাজার টাকা। ভাঙচুর শেষে হামলাকারীরা ক্লাবের ভেতরে আগুন ধরিয়ে পালিয়ে যায়। পরে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে দ্রুত আগুন নেভান।

জানতে চাইলে উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ফেরদৌস খান বলেন, ‘আওয়ামী লীগের নেতা–কর্মীরা নিজেরাই নিজেদের অফিসে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে আমাদের নিরীহ নেতা–কর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়েছেন। এটা সম্পূর্ণ সাজানো একটি ঘটনা। ৩ ডিসেম্বর বিএনপির রাজশাহী বিভাগীয় সমাবেশে নেতা–কর্মীরা যাতে অংশ নিতে না পারেন, সেই উদ্দেশ্যে আওয়ামী লীগ এই মিথ্যা মামলা সাজিয়েছে।’

ধামইরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাম্মেল হক কাজী বলেন, গতকাল রাতে আটক চার ব্যক্তি এ মামলার এজাহারভুক্ত আসামি। তাঁদের ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে আজ বেলা ১১টার দিকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।