সাভারে প্রেশার কুকার বোমা উদ্ধারের ঘটনায় মামলা, আসামি অজ্ঞাতনামা

ঢাকার সাভারে একটি মসজিদের খোলা মাঠে পাওয়া গিয়েছিল কালো স্কচটেপে প্যাঁচানো প্রেশার কুকার। বুধবার সকালে উপজেলার সাধাপুর এলাকায়ফাইল ছবি: প্রথম আলো

ঢাকার সাভারের সাধাপুর এলাকায় মসজিদের মাঠ থেকে প্রেশার কুকার বোমা উদ্ধারের ঘটনায় মামলা হয়েছে। গতকাল বুধবার রাতে সাভার মডেল থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলাটি করা হয়। এতে অজ্ঞাতপরিচয় ৬ থেকে ৭ জনকে আসামি করা হয়েছে।

সাভার মডেল থানার ভবানীপুর পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ উপপরিদর্শক (এসআই) ইমরান হোসেন বাদী হয়ে মামলাটি করেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল আলম প্রথম আলোকে বলেন, গত মঙ্গলবার দিবাগত রাতে বোমাটি রেখে যাওয়ার সময় স্থানীয় কয়েকজন তিনজনকে দেখেছেন বলে জানিয়েছেন। তাঁদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তিনজনসহ আরও তিন থেকে চারজনকে অজ্ঞাতপরিচয় আসামি করে মামলা করা হয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, বোমাটি উদ্ধারের ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। সাধাপুরের গোপের বাড়ি লালটেক ঘোড়া মসজিদের আশপাশের বিভিন্ন স্থানের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে। পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছ থেকেও তথ্য নেওয়া হচ্ছে।

আরও পড়ুন

নব্য জেএমবি সদস্যের রিমান্ড চেয়ে আবেদন

এদিকে সাভারের হেমায়েতপুর থেকে গ্রেপ্তার নিষিদ্ধঘোষিত জঙ্গি সংগঠন নব্য জেএমবির সদস্য মোহাম্মদ আরিফের (২৬) ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে আবেদন করেছে পুলিশ। আজ বৃহস্পতিবার বেলা দুইটার দিকে কড়া নিরাপত্তায় সাভার মডেল থানা থেকে প্রিজন ভ্যানে করে তাঁকে আদালতে পাঠানো হয়।

পুলিশ জানায়, গত মঙ্গলবার রাতে আরিফকে গ্রেপ্তারের পর তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ওই রাতেই সাভারের দক্ষিণ শ্যামপুরের একটি তিনতলা ভবনের কক্ষে অভিযান চালায় পুলিশের কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিট ও সাভার থানা-পুলিশ।

পুলিশের ভাষ্য, আরিফকে গ্রেপ্তারের সময় তাঁর কাছ থেকে একটি ব্যাগে রাখা পাঁচটি বোমা, ছুরিসদৃশ তিনটি বোমা এবং বোমা তৈরির বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়। পরে ওই কক্ষ থেকে আরও ছয়টি বোমা ও বোমা তৈরির বিপুল পরিমাণ সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।

জব্দ তালিকা অনুযায়ী, উদ্ধার হওয়া সরঞ্জামের মধ্যে রাসায়নিক পদার্থ, বারুদ, গানপাউডার, বৈদ্যুতিক তার, বিয়ারিং বল, নাইট্রিক অ্যাসিড ও প্লাস্টিকের কনটেইনার আছে।