উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মোহাম্মদ আলী প্রথম আলোকে বলেন, গ্রেপ্তার রোহিঙ্গা মোহাম্মদ রফিকের ঘরে দুই বস্তায় বিপুল পরিমাণ ইয়াবা মজুতের খবর ছিল পুলিশের কাছে। গভীর রাতে সেখানে অভিযান চালায় পুলিশ। কিন্তু পাওয়া গেছে ১০ হাজার ইয়াবা। অবশিষ্ট ইয়াবা কোথায় গেল জানতে রফিককে রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করবে পুলিশ। ইয়াবা উদ্ধারের ঘটনায় উখিয়া থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা হয়েছে। সেই মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

পুলিশ জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মোহাম্মদ রফিক পুলিশকে বলেন, মিয়ানমার থেকে তিনি বেশ কয়েকটি ইয়াবার বড় চালান আশ্রয়শিবিরে নিয়ে আসেন। পরে ইয়াবা কক্সবাজার, চট্টগ্রাম ও ঢাকায় সরবরাহ করেন। আশ্রয়শিবিরের বাইরে (উখিয়ায়) বাংলাদেশি (ঢাকা, চট্টগ্রাম) পাচারকারীরা অবস্থান করতেন। রফিক আশ্রয়শিবির থেকে ইয়াবার চালান বের করে তাঁদের হাতে পৌঁছে দিতেন। তাঁরা নানা কৌশলে ইয়াবার চালান চট্টগ্রাম-ঢাকা পৌঁছে দিতেন।

ওসি শেখ মোহাম্মদ আলী আরও বলেন, মিয়ানমার থেকে ইয়াবার বড় চালান নিয়ে আসা কয়েকজন রোহিঙ্গার মধ্যে অন্যতম মোহাম্মদ রফিক। তবে সবচেয়ে বড় চালান আশ্রয়শিবিরে ঢোকাতেন জামাই শফিউল্লাহ নামে আরেক রোহিঙ্গা নেতা। ৩ জুলাই উখিয়া থানার পুলিশ ৬০ লাখ টাকা দামের ২০ হাজার ইয়াবাসহ শফিউল্লাহকে (৩৮) গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠায়। শফিউল্লাহ পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেন, প্রতি মাসে তিনি মিয়ানমার থেকে প্রায় ১২০ কোটি টাকার ইয়াবা উখিয়া আশ্রয়শিবিরে নিয়ে আসতেন। শফিউল্লাহ একই আশ্রয়শিবিরের (লম্বাশিয়া) ই-ব্লকের ২ নম্বর শেডের বাসিন্দা আবদুস সালামের ছেলে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন