মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, ওই ছাত্রীর মা অসুস্থ হয়ে গতকাল বুধবার রাতে হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। তার বাবা ও ভাই হাসপাতালে ছিলেন। এ সময় ওই ছাত্রী একাই বাড়িতে ছিল। এই সুযোগে রাত সাড়ে ১১টার দিকে হাসান আলী ও তাঁর বন্ধু মাসুদ ওই ছাত্রীর ঘরে ঢোকেন। এরপর হাসান আলী তাকে ধর্ষণ করেন। হাসান ও মাসুদকে অনুসরণ করে ওই বাড়িতে যান একই এলাকার তিন যুবক নাসিম হোসেন (২৭), মো. নুরুজ্জামান (২৭) ও মো. সাকিব (২৮)। তাঁরা মুঠোফোনে ধর্ষণের ভিডিও ধারণ করেন। এর পর নাসিম হোসেনও তাকে ধর্ষণ করেন। একপর্যায়ে হাসান ও মাসুদকে মারধর করে ঘরে আটকে রেখে ওই তিনজন পালিয়ে যান। পরে স্থানীয় লোকজন হাসান ও মাসুদকে ধরে পুলিশের দেন।

শার্শা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মামুন খান বলেন, এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। মামলায় হাসান আলী ও মো. মাসুদকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। তাঁদের আদালতে নেওয়া হচ্ছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ওই ছাত্রীকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আগামীকাল ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে ২২ ধারায় তাঁর জবানবন্দি রেকর্ড করা হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন