এর আগে সকালে কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে জাকিরকে নারায়ণগঞ্জ কারাগার থেকে আদালতপাড়ায় আনা হয়। আদালত প্রাঙ্গণে জাকিরের সমর্থকেরা তাঁর মুক্তির দাবিতে মিছিল ও স্লোগান দেন। এ সময় বিপুলসংখ্যক পুলিশ ও ডিবি পুলিশ মিছিলকারীদের লাঠিপেটা করে সরিয়ে দেয়। জাকির খান নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি। তাঁর বিরুদ্ধে চারটি হত্যাসহ অসংখ্য মামলা রয়েছে।

২০০৩ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি শহরের মাসদাইর এলাকায় তৎকালীন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও বিআরটিসির তৎকালীন চেয়ারম্যান তৈমুর আলম খন্দকারের ছোট ভাই ব্যবসায়ী নেতা শাব্বির আলম খন্দকার আততায়ীর গুলিতে নিহত হন। এ ঘটনায় জাকির খানকে আসামি করে মামলা করেন তৈমুর আলম। এরপর জাকির খান নারায়ণগঞ্জ ছেড়ে পাড়ি জমান থাইল্যান্ডে।

জাকির খানের বিরুদ্ধে ১৯৯৪ সালে সন্ত্রাসমূলক অপরাধ দমন বিশেষ আইনে মামলা দায়ের করা হয়। ওই মামলায় জাকির খানের ১৭ বছরের সাজা হয়। পরবর্তী সময়ে উচ্চ আদালতে তাঁর সাজা কমে ৮ বছর হলেও তিনি গ্রেপ্তার এড়াতে দেশে ও বিদেশে প্রায় ২১ বছর পলাতক ছিলেন। দীর্ঘদিন থাইল্যান্ডে আত্মগোপনে ছিলেন।

সম্প্রতি ভারত হয়ে বাংলাদেশে আসেন জাকির। পরিচয় গোপন করে ঢাকার বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় এক বছর ধরে সপরিবার বসবাস করছিলেন তিনি। গত ২ সেপ্টেম্বর র‍্যাব-১১–এর একটি দল রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় অভিযান চালিয়ে বিদেশি পিস্তলসহ তাঁকে গ্রেপ্তার করে। এর পর থেকে তিনি নারায়ণগঞ্জ কারাগারে।