মোহনপুর ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন কর্মকর্তা নিতাই চন্দ্র প্রথম আলোকে বলেন, জুয়েল রানার স্ত্রী অন্তঃসত্ত্বা। ঈদের পর এক সপ্তাহের ছুটি পেয়ে স্ত্রীকে চিকিৎসক দেখাতে মোটরসাইকেলে করে রাজশাহীর উদ্দেশে আসছিলেন তাঁরা। পথে মোহনপুর উপজেলার সাঁকোয়া রাজশাহী-নওগাঁ মহাসড়কের টার্নিং পয়েন্টে বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে জুয়েল বাসের চাকায় পিষ্ট হন এবং তাঁর স্ত্রী মাথায় আঘাত পান। জুয়েল ও তাঁর স্ত্রীকে দ্রুত উদ্ধার করে মোহনপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক জুয়েলকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে তাঁর স্ত্রীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দুর্ঘটনার পর উপজেলার কেশরহাট তেল পাম্পের সামনে বাস রেখে চালক পালিয়ে যান। পরে সেখান থেকে পুলিশ বাসটি জব্দ করে থানায় নিয়ে আসে।

মোহনপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তৌহিদুল ইসলাম বলেন, স্ত্রীকে চিকিৎসক দেখানোর জন্য জুয়েল রাজশাহীতে যাচ্ছিলেন, পথে দুর্ঘটনা ঘটে। পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই জুয়েলের লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। নিহতের স্ত্রী বর্তমানে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন। এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে নিহত জুয়েলের বাবা মামলা করবেন বলে তিনি জানান।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন