মামলার এজাহারে বাদী অভিযোগ করেছেন, ২৮ নভেম্বর রাতে মামলার বাদী ও রাজাপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের কয়েক নেতা-কর্মী শুক্তাগর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর হোসেন হাওলাদারের বাড়িতে দাওয়াত খেতে যান। রাত ১১টা ৩৫ মিনিটের দিকে পিংড়ী মাধ্যমিক বিদ্যালয় অতিক্রম করার সময় বিএনপির শতাধিক নেতা-কর্মীকে বিদ্যালয়ের পুরাতন টিনশেড ভবনের সামনের বারান্দায় গোপন শলাপরামর্শ করতে দেখেন তাঁরা। বিষয়টি জানতে টর্চলাইট নিয়ে ঘটনাস্থলে গেলে বিএনপির নেতা-কর্মীরা তাঁদের হত্যার উদ্দেশ্যে মারপিট করেন। এ সময় ছয় থেকে সাতটি বোমার বিস্ফোরণ ঘটান তাঁরা। এ ঘটনায় বাদীসহ তিনজন আহত হন। তাঁরা স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।

মামলার প্রধান আসামি উপজেলা বিএনপির সভাপতি আইনজীবী তালুকদার আবুল কালাম আজাদ। মামলার বিষয়ে তিনি বলেন, ঘটনাস্থল পিংড়ীর মানুষের কাছে খোঁজ নিলেই জানা যাবে, এমন কোনো ঘটনা ঘটেছে কি না। ঘটনাস্থলের মানুষ জানেনই না, অথচ হয়রানির জন্য গায়েবি মামলা হয়ে গেল।

তালুকদার আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘বিএনপির দেশব্যাপী চলমান আন্দোলনে আমরা রাজাপুর উপজেলা বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা এম শাহজাহান ওমর বীর উত্তমের নেতৃত্বে মাঠে আছি। মূলত আমাদের মাঝে ভীতি তৈরি করে আন্দোলন বাধাগ্রস্ত করতে এই গায়েবি মামলা করা হয়েছে। ছয় থেকে সাতটা বোমা মারলে শুধু প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে মানুষ সুস্থ হয় কীভাবে?’

রাজাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা পুলক চন্দ্র রায় বলেন, এখন পর্যন্ত কোনো আসামি গ্রেপ্তার হয়নি। আসামি গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত আছে।