পরিবার সূত্র জানায়, জোছনা বেগম শিশুটিকে সঙ্গে নিয়ে পুকুরপাড়ে শাক তুলতে গিয়েছিলেন। শাক তোলার এক ফাঁকে মায়ের অগোচরে জুনায়েদ পুকুরের পানিতে পড়ে যায়। জোছনা বেগম ছেলেকে না পেয়ে অনেক খোঁজাখুঁজি করেন। ঘণ্টাখানেক পর পুকুরটিতে ভেসে ওঠে শিশুটির নিস্তেজ দেহ। দ্রুত উদ্ধার করে মতলব দক্ষিণ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

জোছনা বেগম আহাজারি করে বলেন, ‘আমার খেয়ালের ভুলে ছেলেডা পানিতে ডুইব্বা মইরা গেল। এহন এই তোলা শাক আমি কারে খাওয়ামু? আমার বুকের ধনডারে এহন কই পামু। কেন যে তারে লইয়া পুকুরপাড়ে শাক তুলতে গেছিলাম? শাকের লইগাই আমার ছেলেডারে হারাইলাম। এহন আমি কী নিয়া বাঁচুম?’

উপজেলার ফতেপুর পূর্ব ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান আজমল হোসেন চৌধুরী বলেন, থানা থেকে অনুমতি নিয়ে ময়নাতদন্ত ছাড়াই শিশুটিকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফনের ব্যবস্থা করা হয়েছে।