উপজেলা যুবদলের তিনজন যুগ্ম আহ্বায়কসহ নয়টি ইউনিয়নে আহ্বায়ক কমিটিতে পদবঞ্চিত নেতারা আজ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে সেনবাগ প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন। এ সময় লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন উপজেলা যুবদলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক খোরশেদ আলম চৌধুরী, আরমান হোসেন ও সাইফুল ইসলাম।

সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয় সেনবাগ উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক ও সদস্যসচিব দুই বছরেও একটি সভা করতে পারেননি। তাঁরা একই সঙ্গে বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের পদে রয়েছেন। এর আগে অসাংগঠনিক উপায়ে এবং অনৈতিক সুবিধা নিয়ে ইউনিয়নগুলোতে আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করার অভিযোগে জেলা কমিটি উপজেলা কমিটিসহ ইউনিয়ন কমিটিগুলো স্থগিত করেছিল। পরে ১১ নভেম্বর কারও সঙ্গে কোনো আলোচনা না করেই কিছু সংযোজন–বিয়োজন করে পুনরায় ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়। এতেও অনৈতিক সুবিধা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক ও সদস্যসচিবের বিরুদ্ধে। কমিটিতে ত্যাগী ও নির্যাতিত কর্মীদের বাদ দেওয়া হয়।

বক্তারা সেনবাগ উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক ও সদস্যসচিবকে বহিষ্কারের দাবি জানান। পাশাপাশি ইউনিয়নগুলোর আহ্বায়ক কমিটি বাতিল করে ত্যাগী ও যোগ্যদের নিয়ে পুনরায় কমিটি ঘোষণা করার জন্য জেলা নেতাদের প্রতি দাবি জানানো হয়।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক সুলতান সালাউদ্দিন প্রথম আলোকে বলেন, এখানে বিএনপির একাধিক গ্রুপের কারণে যুবদলেও তার ছায়া পড়েছে। সব পক্ষের লোককে কমিটিতে স্থান করে দেওয়া সম্ভব নয়। এ কারণেই যাঁরা বাদ পড়েছেন কিংবা কাঙ্ক্ষিত পদ পাননি, তাঁরা নানা অভিযোগ করছেন। তবে কমিটি গঠনে কোনো ধরনের অনৈতিক সুবিধা নেওয়ার অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।

যুবদলের আহ্বায়ক কমিটি বাতিলের দাবিতে আয়োজিত ওই সংবাদ সম্মেলনে উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও যুবদল নেতা ফখরুল ইসলাম ওরফে টিপু, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ও ইউপি সদস্য মো. মামুন, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আনোয়ার হোসেন, জসিম উদ্দিন, আবুল কাশেম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।