পুলিশ ও স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সকালে আশার ফেঞ্চুগঞ্জ শাখা কার্যালয় থেকে সংস্থাটির কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নিজ নিজ কাজে বিভিন্ন এলাকায় চলে যান। তখন ব্যবস্থাপক আবুল কাশেম ও কার্যালয়ের অফিস সহকারী কাম বাবুর্চি মো. ফজল মিয়া (৩৬) কার্যালয়ে ছিলেন। প্রাথমিকভাবে পুলিশ ধারণা করছে, ব্যক্তিগত কোনো বিরোধের জেরে নৃশংসভাবে আবুল কাশেমকে কুপিয়ে হত্যা করেছেন ফজল মিয়া। পরে তিনি পালিয়ে যান। পালানোর সময় নিজের ব্যবহৃত মুঠোফোনটি কার্যালয়েই ফেলে যান তিনি। তাঁর বাড়ি সিলেটের জকিগঞ্জ উপজেলায়। পুলিশ হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত দা উদ্ধার করেছে।

সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাফায়েত হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, আশার ব্যবস্থাপক ও পিয়নের (অফিস সহকারী) মধ্যে কোনো বিষয় নিয়ে বিরোধের জেরে এই ঘটনা ঘটতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তাঁরা লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়েছেন। তিনি বলেন, পুলিশ ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চালাচ্ছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন