প্রত্যক্ষদর্শী বেতগড়া গ্রামের কৃষক জহির খান বলেন, আজ সকালে খেতে মৃত হাতিটি দেখে এলাকার লোকজন জড়ো হন। এটি মাদি হাতি। তাঁদের ধারণা, এক দিন আগে হাতিটি মারা যায়। হাতিটির পেট ফোলা ছিল।

রংছাতি ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সাবেক চেয়ারম্যান তাহেরা খাতুন বলেন, বেশ কিছু দিন ধরে সন্ধ্যা হলেই ভারতীয় সীমান্তের পাহাড় থেকে বেতগড়াসহ আশপাশের এলাকায় ২০ থেকে ২৫টি বন্য হাতি নেমে এসে খেতের ধানের ক্ষতি করছে। গত সোমবার রাত পৌনে আটটার দিকে বেতগড়ায় হাতির পাল নেমে ফসলের ক্ষতি করলে সন্ন্যাসীপড়া গ্রামের বেশ কয়েকজন কৃষক মশাল জ্বালিয়ে হাতি তাড়াতে যান। এ সময় একটি হাতি গ্রামের কৃষক নুরুল ইসলামকে আছাড় মারে। এতে মাথায় গুরুতর আঘাত পেয়ে তাঁর মৃত্যু হয়।

দুর্গাপুর বন বিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা সাইদুর ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, ধারণা করা হচ্ছে, পাহাড় থেকে খাবারের সন্ধানে নেমে এসেছিল বন্য হাতিটি। ওই ধানখেতে হাঁটুসমান কাদা ছিল। ওই কাদায় আটকে পড়ে হাতিটি মারা গিয়ে থাকতে পারে।

হাতিটির বয়স ২০ বছরের বেশি হবে বলে জানিয়েছেন ময়মনসিংহ প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. আবু সাইদ সরকার। তিনি মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, মৃত হাতিটির ময়নাতদন্ত করা হবে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

কলমাকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আবদুল আহাদ খান বলেন, ময়নাতদন্ত শেষে হাতিটি বেতগড়া সীমান্ত এলাকায় মাটি চাপা দেওয়া হবে।