সামছুল আলমের মেয়ে সারবিনা আলমের অভিযোগ, টাকার লোভে মোটা অঙ্কের কাবিনের ফাঁদে ফেলে সামছুল আলমকে জোর করে বিয়ে করেন রেশমা। বিয়ের পর থেকেই টাকার জন্য নিয়মিত তাঁকে মারধর করতেন। শনিবার রাতে তাঁকে মারধর করে হত্যা করা হয়েছে। শরীরে একাধিক স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে রেশমা খাতুন বলেন, সামছুল আলম প্যারালাইসিস রোগী ছিলেন। শনিবার রাত তিনটার দিকে নিজ কক্ষে চেয়ার থেকে মেঝেতে পড়ে আহত হন। পরে রোববার সকাল ৯টার দিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এরপর তিনি লাশ বাড়িতে নিয়ে আসেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহরিয়ার নাফিজ বলেন, বেলা ১২টার দিকে বীর মুক্তিযোদ্ধাকে হাসপাতালে আনা হয়েছিল। হাসপাতালের বাইরেই তাকে প্রাথমিক পরীক্ষা করা হয়। সেখানে তাকে মৃত ঘোষণা করলে স্বজনেরা দ্রুত মরদেহ নিয়ে চলে যায়। তাঁরা চেষ্টা করেও আটকাতে পারেননি। তবে মরদেহে রক্তমাখা ছিল।

কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহসীন হোসাইন বলেন, বিকেল পাঁচটার দিকে খবর পেয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধার মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে। দেহে কিছুটা সন্দেহজনক ক্ষত রয়েছে। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে আসল ঘটনা জানা যাবে।