পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, গেরেজান বিবি তাঁর নাতির এক ছেলেকে নিয়ে ওই বাড়িতে একা থাকতেন। তাঁর দুই ছেলে ও দুই মেয়ে আছে। দুই ছেলে পাশেই আলাদা বাড়ি বানিয়ে বসবাস করেন। আর মেয়েরা শ্বশুরবাড়িতে থাকেন। গতকাল শুক্রবার রাতের কোনো এক সময় এই ঘটনা ঘটে। তাঁর গলার কিছু অংশ কাটা ছিল। এ ছাড়া শরীরের বিভিন্ন অংশে ছুরিকাঘাতের একাধিক চিহ্ন আছে। ভোরে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সকালে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে।

পারিলা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মো. নয়ন কবির প্রথম আলোকে বলেন, গেরেজানের কোনো শত্রু ছিল না। তাঁর নাতির এক ছেলেকে নিয়ে তিনি ওই বাড়িতে থাকতেন। তাঁর ছেলেমেয়েরাও পাশেই আলাদাভাবে থাকেন। তাঁদের ধারণা, ওই বৃদ্ধার জমানো টাকা নিতে গিয়ে এলাকার বখাটেরা এই ঘটনা ঘটাতে পারেন।

মতিহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আনোয়ার আলী প্রথম আলোকে বলেন, বাড়িতে একটিই ঘর। সেই ঘরের দরজার পাশে লাশটি পড়েছিল। কে বা কারা কেন এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে, তা প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তাঁরা ঘটনাটি তদন্ত করছেন। তিনি আরও বলেন, এই ঘটনায় ওই বৃদ্ধার ছেলে মামলা করবেন। তাঁরা থানায় এসেছেন। মামলার প্রক্রিয়া চলছে। এখনো কাউকে আটক করা হয়নি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন