সাপাহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হ‌ুমায়ূন কবীর জানান, ট্রলিটির চালক ও নিহত শিশু সম্পর্কে চাচা-ভাতিজা। এ ঘটনায় কেউ থানায় অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ না পাওয়ায় ময়নাতদন্ত ছাড়াই নিহত শিশুর মরদেহ দাফনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সকালে আমান বাড়ি থেকে বের হয়ে বাড়ির পাশে একটি মাঠে প্রতিবেশী শিশুদের সঙ্গে খেলাধুলা করছিল। এ সময় ধানবোঝাই ট্রলি চালিয়ে আমানের চাচা আরিফ হোসেন ওই মাঠের পাশের রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিলেন। ট্রলি দেখে আমানসহ তার বন্ধুরা সেটির পেছনে দৌড়াতে থাকে। একপর্যায়ে মেঠো রাস্তায় ওই ট্রলির চাকা মাটিতে দেবে গেলে সেটি থেমে যায়। আমানের চাচা ট্রলিটি পেছনের দিকে নেওয়ার চেষ্টা করলে আমান ট্রলির পেছনের চাকায় চাপা পড়ে। এতে সে গুরুতর আহত হয়।

আরিফ হোসেন ঘটনাস্থল থেকে ভাতিজা আমানকে উদ্ধার করে সাপাহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।