মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ১২ জুলাই দুপুরে দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রীটি বাড়ির পাশে খেলতে যায়। এ সময় ওই শিশুকে কৌশলে নিজ বাড়িতে নিয়ে ওই কিশোর ধর্ষণ করে। ষষ্ঠ শ্রেণির ওই শিশু বিষয়টি বুঝতে পারলে সে সবাইকে সেটি জানিয়ে দেওয়ার কথা বলে। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ষষ্ঠ শ্রেণির ওই শিশুকেও সে ধর্ষণ করে। পরে ওই কিশোর বিষয়টি কাউকে না বলার জন্য দুই শিশুকে ভয়ভীতি দেখায়।

বুধবার সকালে ওই কিশোরের এক বন্ধুর কাছ থেকে দুই শিশুর পরিবার বিষয়টি জানতে পারে। এরপর ওই দিন বিকেলে ষষ্ঠ শ্রেণির ওই শিশুর পরিবার জাতীয় জরুরি সেবা নম্বরে (৯৯৯) কল করে বিষয়টি অবগত করে। পরে ওই দিন রাতে ওই কিশোরকে আটক করে পুলিশ। রাতেই এ ঘটনায় ষষ্ঠ শ্রেণির শিশুটির মা বাদী হয়ে কিশোরের বিরুদ্ধে থানায় ধর্ষণ মামলা করেন।

সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবদুর রউফ সরকার বলেন, গতকাল সকালে জেলা সদরের ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে দুই শিশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়েছে। এরপর দুপুরে দুই শিশু জেলা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক তানিয়া কামালের কাছে ২২ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছে। এদিকে গতকাল দুপুরে গ্রেপ্তার কিশোরকে একই ট্রাইব্যুানালে হাজির করলে বিচারক কিশোরকে সংশোধনাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। পরে ওই কিশোরকে গাজীপুরের টঙ্গীতে কিশোর সংশোধনাগারে পাঠানো হয়।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন