চান্দুপাড়া গ্রামের বাসিন্দা মো. মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, বাঁধ না থাকায় জোয়ারে পানি বাড়লেই এলাকার প্রায় ১ হাজার ২০০ একর ফসলি জমি তলিয়ে যায়। গত ১৫ দিন স্থায়ী জলাবদ্ধতার কারণে অধিকাংশ কৃষকের আমন বীজতলা নষ্ট হয়ে গেছে। জলাবদ্ধতার কারণে শুধু কৃষকই নন, এলাকার সাধারণ মানুষও চরম ভোগান্তির মধ্যে পড়েছে।

স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মো. মাসুদ হাওলাদার বলেন, বর্তমানে চান্দুপাড়া এলাকার বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের ১৮টি স্পট ঝুঁকিপূর্ণ। আগামী অমাবস্যার জোয়ারে পানি বাড়লেই বাঁধের ভাঙা অংশ দিয়ে পানি ঢুকে পুরো এলাকা প্লাবিত হয়ে যাবে। তাঁদের দাবি, দ্রুত যেন বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধটি টেকসইভাবে নির্মাণ করা হয়।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) কলাপাড়ার নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আরিফ হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, তাঁরা সেখানে বাঁধ নির্মাণ করতে চান। কিন্তু এলাকার মানুষ জমি দিতে চান না, বাঁধের কাজ করতে গেলে বাঁধা দেন। এ ছাড়া এলাকাবাসী একেবারে রাবনাবাদ চ্যানেলের তীর ঘেঁষে বাঁধ করার জন্য বলেছেন। সমস্যা হলো রাবনাবাদ চ্যানেলের তীর ঘেঁষে বাঁধ করলে তা টিকবে না। এলাকাবাসীর অসহযোগিতায় বাঁধের বরাদ্দকৃত টাকাও ইতিমধ্যে ফেরত চলে গেছে। তিনি বলেন, তাঁরা স্থানীয় প্রশাসনের সহায়তায় এলাকাবাসীকে বুঝিয়ে যাতে বাঁধটি দ্রুত করা যায়, সেই চেষ্টা করবেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন