রংপুর চিড়িয়াখানার কর্মকর্তা এইচ এম শাহাদাত বলেন, ‘আমরা যখন বুঝতে পারলাম জলহস্তী জল নূপুরের পেটে বাচ্চা এসেছে, তখন থেকে বিশেষ পরিচর্চা নেওয়া হয়। দীর্ঘ ৮ মাস প্রতীক্ষার পর বৃহস্পতিবার সকাল ৯টার দিকে বাচ্চা প্রসব করে। বাচ্চার ওজন ২৫-২৮ কেজি হবে। বাচ্চা সুস্থ আছে।’

চিড়িয়াখানার কিউরেটর আমবার আলী তালুকদার বলেন, জলহস্তীর পেটে বাচ্চা আসার পর থেকেই সর্বোচ্চ সেবা দেওয়া হয়েছে। নিরাপদে বাচ্চা প্রসবের জন্য পুরুষ জলহস্তীকে আলাদা আবাসস্থলে নেওয়া হয়েছে। অনুকূল পরিবেশের কারণে রংপুর চিড়িয়াখানার সব বন্য প্রাণী ও পাখি সুস্থ আছে। বংশবৃদ্ধির মাধ্যমে ধীরে ধীরে রংপুর চিড়িয়াখানা বন্য প্রাণীর একটি সংরক্ষণকেন্দ্রে পরিণত হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন