মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, শনিবার বিকেলে হাজীগঞ্জ পৌরসভার টোরাগড় এলাকা থেকে যুবদলের একটি মিছিল হাজীগঞ্জ বাজারে তাদের সভাস্থলে যাচ্ছিল। এ সময় মিছিল থেকে সড়কে দাঁড়িয়ে থাকা পুলিশ সদস্যদের লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ শুরু হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ কাঁদানে গ্যাসের শেল ও ফাঁকা গুলি ছোড়ে। এ সময় ইটপাটকেলের আঘাতে হাজীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ জুবাইর সৈয়দ, পরিদর্শক (তদন্ত) নজরুল ইসলাম, থানার উপপরিদর্শক মোস্তাক আহমেদ, সহকারী উপপরিদর্শক মাসুদ মুন্সি ও কনেস্টবল আল আমিন আহত হন। তাঁরা রাতে স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা নেন।

তবে উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক আক্তার হোসেন বলেন, হাজীগঞ্জ পৌরসভার টোরাগড় এলাকা থেকে একটি মিছিল সভাস্থলে যাওয়ার সময় পুলিশি বাধার সম্মুখীন হয়। এ সময় দলের নেতা-কর্মীরা পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। পরে পুলিশ তাঁদের ছত্রভঙ্গ করতে কাঁদানে গ্যাসের শেল ও শটগানের গুলি নিক্ষেপ করে।

হাজীগঞ্জ থানার ওসি মোহাম্মদ জুবাইর সৈয়দ বলেন, যুবদলের একটি মিছিল বাজারে প্রবেশ করার চেষ্টা করে। ওই মিছিল থেকে পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ শুরু হয়। পরে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ২৪টি শটগানের গুলি ও ৬টি কাঁদানে গ্যাসের শেল নিক্ষেপ করে। এ ঘটনায় শনিবার রাত থেকে রোববার বিকেল পর্যন্ত এজাহারভুক্ত ২২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।