খায়রুল বাসার বলেন, দুবার চেষ্টার পর তিনি অ্যামাজনে ডাক পেয়েছেন। জার্মানি আসার দুই মাস পর তিনি অ্যামাজনে আবেদন করে ব্যর্থ হয়েছিলেন। এর পর দ্বিতীয়বার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মৌখিক পরীক্ষার প্রক্রিয়ার শুরু হয় জুন মাসে। তিন ধাপের পরীক্ষায় প্রথমে অনলাইন অ্যাসেসমেন্ট হয়েছে। এরপর ফোন স্ক্রিন ইন্টারভিউ আর সবশেষে ভার্চ্যুয়াল অনসাইট ইন্টারভিউ। ভার্চ্যুয়াল অনসাইটে চার ধাপে মৌখিক পরীক্ষা হয়। সব ধাপ অতিক্রম করে ৭ জুলাই তিনি অ্যামাজন কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে মৌখিক অফার পান। ২৬ জুলাই অফার লেটার গ্রহণ করেছেন তিনি।

দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ে বিশ্বখ্যাত প্রতিষ্ঠানে চাকরি পেয়ে বেশ উচ্ছ্বসিত খায়রুল। তিনি বলেন, ‘মায়ের ইচ্ছে ছিল ছেলে ডাক্তার হবে। তবে বাবা বলতেন, যা পড়তে ভালো লাগে পড়ো। কিন্তু আমার ইচ্ছে ছিল ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ার। কলেজে উঠেই কম্পিউটারের নেশা পেয়ে বসে। বেশির ভাগ সময় আমি কম্পিউটার নিয়েই থাকতাম। খুবই ভালো লাগছে অ্যামাজনের মতো বড় জায়গায় কাজের সুযোগ পেয়েছি। এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে নিজের সর্বোচ্চ দক্ষতা দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম অক্ষুণ্ন রাখতে চেষ্টা করব।’

ভবিষ্যতের প্রকৌশলীদের উদ্দেশে খায়রুল বাসার বলেন, অ্যামাজন কিংবা এ ধরনের বড় প্রতিষ্ঠানে প্রাতিষ্ঠানিক ডিগ্রির চেয়ে স্কিলের ওপর বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়। আর চাকরির পরীক্ষায় সফল হওয়ার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো প্রবলেম সলভিং স্কিল (সমস্যা সমাধানের দক্ষতা)। এ বিষয়ে দক্ষ হওয়া জরুরি। এ ছাড়া কম্পিউটার প্রোগ্রামিং, ডেটা স্ট্রাকচার, অ্যালগরিদম, কম্পিউটার সায়েন্স-সংক্রান্ত অন্যান্য বিষয়ে দক্ষতার পাশাপাশি কমিউনিকেশন ও লিডারশিপ স্কিল (যোগাযোগ ও নেতৃত্বগুণ) প্রয়োজন পড়বে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন