আদালতের বেঞ্চ কর্মকর্তা মজিবর রহমান রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। দায়রা জজ আদালত সূত্রে জানা যায়, রায় উপলক্ষে আসামিকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। তাঁর বিরুদ্ধে ১০৪ বোতল ভারতীয় ফেনসিডিল পাচারের অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে।

মামলার নথি থেকে জানা যায়, গুরুদাসপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আবদুল মজিদ ২০২০ সালের ৯ অক্টোবর মধ্যরাতে বনপাড়া-হাটিকুমরুল মহাসড়কের কাছিকাটা চত্বরে চাঁপাই ট্রাভেলস থামিয়ে তল্লাশি করেন। এ সময় বাসের জি-১ আসনের যাত্রী নজরুল ইসলামের হেফাজতে থাকা ব্যাগ থেকে ১০৪ বোতল ফেনসিডিলের বোতল উদ্ধার করা হয়। পরে এ ঘটনায় পুলিশ নজরুল ইসলামকে এ-সংক্রান্ত মামলায় গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠায়। মামলাটি তদন্ত শেষে তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই আকতারুজ্জামান আসামির বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। পরে মামলাটি বিচারের জন্য জেলা ও দায়রা জজ আদালতে আসে।

রায়ের বিষয়ে নাটোরের সরকারি কৌঁসুলি সিরাজুল ইসলাম বলেন, আসামির বিরুদ্ধে আমদানি নিষিদ্ধ মাদক ভারতীয় ফেনসিডিল বহনের অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। আদালতের দেওয়া রায়ে মাদক ব্যবসায়ীরা মাদক পাচারে নিরুৎসাহিত হবেন।