পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মুক্তার হোসেন তাঁর জমিতে কাজ করার জন্য গ্রামের দিনমজুর মিজানুর রহমানকে নিয়েছিলেন। মুক্তার গতকাল শনিবার সকালে ফসলের মাঠে গিয়ে দেখতে পান মিজানুর অন্যের জমিতে কাজ করছেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে মিজানুরকে বকাবকি করেন মুক্তার। গতকাল সন্ধ্যার দিকে বাড়িতে ফিরছিলেন মুক্তার হোসেন। বাড়ির সামনে তাঁকে (মুক্তার) পেয়ে লাঠিপেটা করেন মিজানুরসহ আরও কয়েকজন। এ সময় ঠেকাতে গিয়ে আহত হন মুক্তারের ছেলে ইসমাইল (২১)।

পরে স্থানীয় লোকজন মুক্তারকে উদ্ধার করে স্থানীয় দিঘলিয়া বাজারে চিকিৎসা দেন। রাতে তাঁকে নেওয়া হয় লোহাগড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে। অবস্থার অবনতি হলে আজ সকালে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর তাঁর মৃত্যু হয়।

মৃত্যুর সংবাদ শোনার পর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন নড়াইলের পুলিশ সুপার প্রবীর কুমার রায়, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) দোলন মিয়া ও লোহাগড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ আবু হেনা। ওই ঘটনার পর থেকে মিজানুর রহমান আত্মগোপনে রয়েছেন। এ জন্য তাঁর ভাষ্য পাওয়া যায়নি।

ওসি শেখ আবু হেনা বলেন, ওই এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। দোষী ব্যক্তিদের ধরার চেষ্টা চলছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন