রুকুনুজ্জামান শাহীন আরও বলেন, নির্বাচন অবাধ ও নিরপেক্ষ করতে ২৩ অক্টোবর নির্বাচন কমিশনে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের আবেদন করেন। প্রতিটি কেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হলে ভোটারদের মধ্যে যে সংশয় তৈরি হচ্ছে, তা কেটে যাবে। নির্বাচন কমিশনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে তিনি আরও বলেন, ভোটদানে ভোটারদের নিরাপত্তা ও উৎসবমুখর পরিবেশ নিশ্চিত করতে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।

উপজেলা পরিষদ (নির্বাচন আচরণ) বিধিমালা, ২০১৬–এর ২২ ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে, সরকারি সুবিধাভোগী অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি (জাতীয় সংসদের স্পিকার, সরকারের মন্ত্রী, চিফ হইফ, ডেপুটি স্পিকার, সংসদের উপনেতা, প্রতিমন্ত্রী, হুইপ, উপমন্ত্রী ) নির্বাচনি এলাকায় প্রচারণায় বা নির্বাচনি কার্যক্রমে অংশ নিতে পারবেন না। কিন্তু  প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন ওই বিধিমালা লঙ্ঘন করেছেন বলে অভিযোগ করেছেন স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী রুকুনুজ্জামান শাহীন। তাঁর ওই লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, চিলমারী উপজেলার সব ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, সদস্য ও অন্যান্য জনপ্রতিনিধিকে নিয়ে প্রতিমন্ত্রী আজ উপজেলার ছিন্নমুকুলের কনফারেন্স রুমে দুপুর ১২টা থেকে বেলা ৩টা পর্যন্ত গোপন বৈঠক করেছেন। তিনি নিজেও তাঁর প্রতিনিধিদের দিয়ে নির্বাচনকে প্রভাবিত করার অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছেন।

শ্বশুরের নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিয়ে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগের বিষয়ে কথা বলার জন্য প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেনের মুঠোফোনে কয়েকবার ফোন করা হলেও তিনি ধরেননি। তবে এ বিষয়ে আওয়ামী লীগের প্রার্থী সোলায়মান আলী সরকার বলেন, প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন তাঁর জামাতা। তবে নির্বাচনী প্রচারে তাঁর জামাতা অংশ নেননি। এ বিষয়ে তাঁর প্রতিপক্ষ প্রার্থী অপপ্রচার চালাচ্ছেন।

প্রতিমন্ত্রীর বিরুদ্ধে করা লিখিত অভিযোগ পাওয়ার কথা স্বীকার করে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ইকবাল হোসেন বলেন, নির্বাচনী পরিদর্শন দল মাঠে কাজ করছে। তারা প্রতিবেদন দিলেই নির্বাচন কমিশনকে বিষয়টি জানানো হবে।