জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মতিউর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক এম. এনামুল কবির ১০ নভেম্বর সুনামগঞ্জের ১০টি উপজেলা ও তিনটি পৌরসভায় আওয়ামী লীগের সম্মেলনের তারিখ ঘোষণা করেন। এরপর প্রথম সম্মেলন হয় জেলার দিরাই উপজেলায় ১৪ নভেম্বর। ওই সম্মেলনে কেন্দ্রীয় নেতাদের উপস্থিতিতে দুই পক্ষের সংঘর্ষ হয়। এ দিন আর কমিটি ঘোষণা হয়নি। দুই দিন পর জেলা সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক দিরাই উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে কামাল উদ্দিন ও সাধারণ সম্পাদক প্রদীপ রায়ের নাম ঘোষণা করেন।

১৫ নভেম্বর সম্মেলন হয়েছে জেলার শান্তিগঞ্জ উপজেলায়। এখানে ৯ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। কমিটিতে সভাপতি হিসাবে আছেন সিতাংশু শেখর ধর ও সাধারণ সম্পাদক মো. হাসনাত হোসাইন। তবে ঘোষণার পর কমিটি থেকে দুজন সহসভাপতি ও একজন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদত্যাগ করেছেন। ১৬ নভেম্বর সম্মেলন হয় জেলার জগন্নাথপুর উপজেলায়। এখানে ঘোষিত আংশিক কমিটির সভাপতি হয়েছেন আকমল হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম। এই দুজন আগের কমিটিতেও একই পদে ছিলেন।

এসব সম্মেলনে প্রধান অতিথি ছিলেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য সাবেক শিক্ষামন্ত্রী নূরুল ইসলাম নাহিদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন আওয়ামী কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আজিজুস সামাদ, সুনামগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য মহিবুর রহমান, সুনামগঞ্জ ও সিলেট সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য শামীমা আক্তার খানম। সম্মেলনের উদ্বোধক ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সাবেক সংসদ সদস্য মতিউর রহমান। প্রধান বক্তা ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম এনামুল কবির ইমন। তিন উপজেলায় সম্মেলন স্থগিত হওয়ায় কেন্দ্রীয় নেতারা বুধবার রাতে ঢাকায় ফিরে গেছেন।