গ্রেপ্তার দুজন হলেন মো. আবদুল কাইয়ুম (৩৫) ও ফারুক (২০)। তাঁরা হাটুলিয়া গ্রামের বাসিন্দা ও অভিযুক্ত ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সদস্য মো. সুরুজ মিয়ার আত্মীয়।

পুলিশ ও স্থানীয় একাধিক সূত্র জানায়, হাটুলিয়া গ্রামের মৃত কিতাব আলীর স্ত্রী খাইরুনেছার একমাত্র সম্বল বসতভিটা কিনেছেন বলে দাবি করেন প্রতিবেশী সাবেক ইউপি সদস্য মো. সুরুজ মিয়া। এরপর গত শুক্রবার খাইরুনেছার জমিতে গাছ লাগাতে যান সুরুজ ও তাঁর লোকজন। এ সময় খাইরুনেছা ও তাঁর স্বজনেরা বাধা দিতে যান।

একপর্যায়ে সুরুজ ও তাঁর লোকজন খাইরুনেছার চুলের মুঠি ধরে টেনেহিঁচড়ে নিতে থাকেন। অন্য প্রতিবেশীরা চলে এলে সুরুজ ও তাঁর দল খাইরুনেছার উঠান থেকে চলে যান।

এ ঘটনায় আহত খাইরুনেছা ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসা নিয়েছেন। নির্যাতনের ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হলে পুলিশ হাটুলিয়া গ্রামে অভিযান চালিয়ে আবদুল কাইয়ুম ও ফারুককে গ্রেপ্তার করে।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত সুরুজ মিয়াকে বাড়িতে না পাওয়ায় তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে তাঁর স্বজনেরা দাবি করেন, খাইরুনেছা তাঁর বসতভিটা সুরুজের কাছে বিক্রি করেছেন।

তবে খাইরুনেছা বলেন, তাঁর একমাত্র সম্বল বসতভিটা বিক্রি করার প্রশ্নই ওঠে না। সরকারিভাবে ঘর দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে সুরুজ তাঁর কাছ থেকে কিছু কাগজপত্রে স্বাক্ষর নিয়েছিলেন।

মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে ঈশ্বরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা পীরজাদা শেখ মোস্তাছিনুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, বৃদ্ধার মেয়ের দেওয়া অভিযোগটি মামলা হিসেবে নথিভুক্ত করা হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন