পুলিশ জানিয়েছে, আটক সোহাগ পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সোহাগ বলেছেন, গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে পৌর শহরের কৃষি ফার্ম এলাকায় এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। আজ সকালে স্থানীয় লোকজন আমিরুলের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে থানা-পুলিশকে জানান। পরে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সোহাগ বলেছেন, আমিরুল ও সোহাগ গতকাল একটি বাসা থেকে কিছু রড চুরি করেন। পরে ওই দিন রাতে এসব রড একটি দোকানে ৫২০ টাকায় বিক্রি করেন। রাত ১০টার দিকে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের পেছনে কৃষি ফার্ম এলাকায় টাকার ভাগাভাগি নিয়ে দুজনের মধ্যে বাগ্‌বিতণ্ডা হয়। বাগ্‌বিতণ্ডার একপর্যায়ে সোহাগ বেল্ট দিয়ে আমিরুলকে শ্বাস রোধ করে হত্যা করেন।

নেত্রকোনা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা খন্দকার শাকের আহমদ বলেন, সিসিটিভির ফুটেজ দেখে সোহাগ মিয়াকে আজ সকালে আটক করা হয়েছে। চুরির টাকার ভাগাভাগি নিয়ে আমিরুলকে শ্বাস রোধ করে হত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সোহাগ হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি স্বীকার করেছেন। নিহত আমিরুলের বিরুদ্ধে নয়টি ও সোহাগের বিরুদ্ধে সাতটি মামলা রয়েছে। হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় থানায় পৃথক মামলার প্রস্তুতি চলছে।