স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে উপজেলা যুবলীগের উদ্যোগে আদমদীঘি দলীয় কার্যালয় থেকে একটি মিছিল বের হয়ে পুরাতন সোনালী ব্যাংক এলাকায় পৌঁছামাত্র ওই মিছিল লক্ষ্য করে পর পর চারটি ককটেল নিক্ষেপ করে সন্ত্রাসীরা । এ সময় দুটি ককটেল বিস্ফোরিত হয়। এতে ছাত্রলীগ কর্মী মশিউর রহমান, বাপ্পী হোসেন, মিঠু হোসেন, রাসেল হোসেন ও জাফরান হোসেন আহত হন। তাঁদের আদমদীঘি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবদুল মহিত তালুকদার বলেন, মিছিলে হামলার ঘটনার পর ছাত্রলীগ ও যুবলীগের বিক্ষুব্ধ কর্মীরা উপজেলা বিএনপির কার্যালয়ে হামলা চালান। এ সময় তাঁরা ওই কার্যালয়ের টেলিভিশন ও আসবাব ভাঙচুর করেছেন।
তবে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সুমিনুল ইসলাম বিএনপির কার্যালয়ে হামলা চালানোর অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

এ ঘটনায় তাৎক্ষণিক আওয়ামী লীগের আদমদীঘি দলীয় কার্যালয়ের সামনে এক প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বক্তব্য দেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম খান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি আবু রেজা খান, নাজিমুল হুদা খন্দকার, সাংগঠনিক সম্পাদক সুমিনুল ইসলাম, দপ্তর সম্পাদক মিজানুর রহমান, সদর ইউপি চেয়ারম্যান ও যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক জিল্লুর রহমান, ছাত্রলীগ নেতা আরেফিন খান প্রমুখ।

এ বিষয়ে আদমদীঘি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রেজাউল করিম বলেন, আওয়ামী লীগের মিছিলে হামলা চালানোর ঘটনায় এখনো কোনো মামলা হয়নি। দুটি অবিস্ফোরিত ককটেল পুলিশ হেফাজতে রয়েছে ।