ক্ষতিগ্রস্ত ওই ব্যবসায়ীর নাম কেরামত আলী (৪৫)। তিনি দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের বাস্তা ইউনিয়নের দড়িগাঁও বাজারের মারফত আলী স্টোরের মালিক। এ ঘটনায় র‍্যাব ও পুলিশের একাধিক দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।

কেরামত আলীর বরাতে তাঁর চাচা ওহিদুল ইসলাম জানান, তাঁর ভাতিজা মুদিপণ্যের পাইকারি ব্যবসায়ী। তিনি এলাকায় পাইকারি ব্যবসা পরিচালনা করেন। শুক্র ও শনিবার ব্যাংক বন্ধ থাকায় মালামাল বিক্রির টাকা ব্যাংকে জমা দিতে পারেননি। আজ দুপুরে মালামাল আনা-নেওয়ার কাজে ব্যবহৃত পিকআপে করে ৮৫ লাখ টাকা নিয়ে আবদুল্লাহপুর সাউথ বাংলা ব্যাংক শাখায় জমা দিতে যান। পিকআপটি বাস্তা ইউনিয়নের ভাওয়ারভিটি এলাকায় পৌঁছালে সামনে ডিবি পুলিশ লেখা একটি সিলভার রঙের মাইক্রোবাস তাঁদের গতিরোধ করে।

ওহিদুল বলেন, সাত-আটজনের একটি দল ওয়াকিটকি, পিস্তলসহ বেরিয়ে আছে। একপর্যায়ে তারা টাকার ব্যাগসহ পিকআপের চালক আকাশ মিয়া ও কেরামত আলীকে টেনে মাইক্রোবাসে তুলে নেয়। এ সময় টাকার ব্যাগ ছিনিয়ে নিয়ে প্রথমে পিকআপের চালকের হাত ও পা বাঁধতে শুরু করলে কৌশলে মাইক্রোবাস থেকে লাফিয়ে পড়েন কেরামত আলী। এ সময় তিনি দৌড়ে পালিয়ে চিৎকার শুরু করলে মাইক্রোবাসটি দ্রুত পিকআপের চালককে নিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। পরে চালক আকাশকে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের ঝিলমিল আবাসিক এলাকার ভেতর ফেলে রেখে ছিনতাইকারী চক্রটি পালিয়ে যায়।

দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মাসুদুর রহমান বলেন, ব্যবসায়ীর কাছ থেকে টাকা ছিনিয়ে নেওয়া ঘটনার তদন্ত করা হচ্ছে। ঢাকা জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (কেরানীগঞ্জ সার্কেল) শাহাবুদ্দিন কবীর বলেন, ‘ব্যবসায়ীর কাছ থেকে ছিনতাইয়ের ঘটনায় ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। এ বিষয়ে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। ছিনতাই হওয়া টাকা উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।’