অভিযোগের বিষয়ে রামনাথপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শওকত হোসেন বলেন, আগে কার্ড দেখে চাল দিয়েছিলেন ডিলাররা। এখন অনলাইনে নিবন্ধন ছাড়া চাল দেওয়া যাবে না। ইউনিয়নে ১ হাজার ৯৯৫ জন কার্ডধারীর তথ্য অনলাইনে হালনাগাদ করতে গিয়ে ৩৮৫টি কার্ডে ভুল ধরা পড়েছে। এ কার্ডগুলো বিধি মোতাবেক বাতিল করা হয়েছে। বিধি অনুযায়ী, বাতিল কার্ডগুলোর পরিবর্তে নতুন নাম অন্তর্ভুক্ত করা হবে। কার্ড দিতে কারও কাছ থেকে কোনো টাকা নেওয়া হয়নি।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবু সাঈদ বলেন, কার্ডধারীদের সমস্যা দেখার জন্য উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রককে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

কার্ডধারী খাদিমুল ইসলাম বলেন, তাঁর কার্ড নম্বর ১২৩। শুরু থেকেই ১০ টাকা কেজির চাল তুলে আসছেন তিনি। এখন শুনছেন তাঁর নামের জায়গায় নাকি অন্য কারও নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

কার্ডধারী অনেকের নাম খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির তালিকায় অন্তর্ভুক্ত ছিল বলে জানান উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক তরিকুল ইসলাম। তিনি আরও বলেন, তিন মাস আগে অনলাইন সিস্টেম চালু করার কারণে সুবিধা পাওয়া অনেক ব্যক্তির নাম বাদ পড়েছে। এ রকম কার্ডধারী রামনাথপুর ইউনিয়নে ছিলেন ৭৬ জন। তবে বাদ পড়া পরিবারের মধ্য থেকে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত করার জন্য চেয়ারম্যানকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এখনো নতুন নামের তালিকা হাতে পাননি।