স্থানীয় জনপ্রতিনিধি শাহ আলম লিটন প্রথম আলোকে বলেন, একটি ভবনে দুটি কক্ষ ভাড়া নিয়ে অনুমোদনহীন মাদ্রাসাটি চলছিল। মাদ্রাসায় ১০ জন আবাসিক ছাত্র থাকত। মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক রাতে সহকারী শিক্ষক মাহমুদুলের জিম্মায় ছাত্রদের রেখে যেতেন। শুক্রবার ভোরে ছাত্রদের শয়নকক্ষে গিয়ে ওই ছাত্রকে ভয় দেখিয়ে ধর্ষণ করেন মাহমুদুল। পরে ওই ছাত্রকে তার মা নিতে এলে সে বিষয়টি জানায়।

এ ঘটনায় শুক্রবার সন্ধ্যায় শিশুটির মা বাদী হয়ে লোহাগাড়া থানায় ধর্ষণ মামলা করেন। সেই মামলায় মাহমুদুলকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

লোহাগাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, অভিযুক্ত শিক্ষককে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে করা মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

এদিকে ভুক্তভোগী আরও তিন ছাত্র ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে একই অভিযোগ করেছে। এতে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে স্থানীয় লোকজনের মধ্যে। তাঁরা তালা ঝুলিয়ে মাদ্রাসাটি বন্ধ করে দিয়েছেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন