বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের কর্মীদের একটি অংশ গণসমাবেশ সফলে তখন মিছিল করছিলেন। এ সময় ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা সংঘবদ্ধ হয়ে তাঁদের ধাওয়া দেন। পরে পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এ সময় ইটের টুকরার আঘাতে মুসলিম মিয়া নামের এক পথচারী আহত হন। এ অবস্থায় চারপাশে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘটনার পর ছাত্রলীগ পৌর শহরে মিছিল করেছে।

উপজেলা বিএনপির সভাপতি আহমদ রেজা বলেন, বিএনপির কর্মসূচি ঠেকাতে সকাল থেকে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা মাঠে ছিলেন। কর্মসূচি শেষ হওয়ার পর ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা অতর্কিতভাবে বিএনপির কর্মীদের ধাওয়া দেন।

বিয়ানীবাজারে ছাত্রলীগের কোনো কমিটি নেই। তবে আজাদ জিসান নামের ছাত্রলীগের এক জ্যেষ্ঠ নেতা দাবি করেন, বিএনপি ও ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা বিয়ানীবাজার পৌর শহরে নাশকতার জন্য জড়ো হয়েছিলেন। এটা ঠেকাতেই ছাত্রলীগ শান্তিপূর্ণভাবে মাঠে অবস্থান নিয়েছিল। হঠাৎ বিএনপির কিছু কর্মী ইট ছুড়লে ছাত্রলীগ ধাওয়া দেয়। এ বিষয়ে বিয়ানীবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিল্লোল রায় প্রথম আলোকে বলেন, বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত আছে।

ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার আগে দক্ষিণবাজার এলাকায় একটি সংক্ষিপ্ত পথসভা করেছে বিএনপি। এতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা বিএনপির সভাপতি আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, বিএনপি শান্তিপূর্ণভাবে গণসমাবেশ শেষ করতে চায়। কোনো বিশৃঙ্খলা বিএনপি চায় না। তবে কেউ যদি ষড়যন্ত্রমূলকভাবে বিশৃঙ্খলা তৈরির অপচেষ্টা করে, সেটা বিএনপির নেতা-কর্মীরা প্রতিহত করবেন।

পথসভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য আবুল কাহের চৌধুরী শামীম, বিএনপির নেতা ফয়সল আহমদ চৌধুরী, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এমরান আহমদ চৌধুরী ও সাংগঠনিক সম্পাদক শামীম আহমদ প্রমুখ।