আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে জামায়াতের প্রার্থীকে আবার শোকজ

নওগাঁ-৪ আসনের জামায়াতের প্রার্থী আব্দুর রাকিব
ছবি: সংগৃহীত

নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে নওগাঁ-৪ (মান্দা) আসনের জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. আবদুর রাকিবকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দিয়েছে নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটি। আজ বুধবার বিকেলে এ আসনের নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির চেয়ারম্যান মো. শিমুল সরকার এ নোটিশ দেন।
প্রচার শুরুর আগেই ফেসবুকে দাঁড়িপাল্লার পক্ষে ভোট চাওয়ার অভিযোগে আবদুর রাকিবের কাছে লিখিতভাবে ব্যাখ্যা জানাতে বলা হয়েছে।

নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে, আবদুর রাকিব নওগাঁ-৪ আসনের জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী। নির্বাচনী অনুসন্ধান কমিটির আসা অভিযোগ অনুযায়ী, আবদুর রাকিব নিজ ফেসবুক আইডি (খন্দকার আবদুর রাকিব) থেকে চার দিন আগে নিজের ছবি ও দাঁড়িপাল্লা প্রতীক ব্যবহার করে (মিউজিকসহ) ‘দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিন’ স্লোগান প্রচার করেন। এ কার্যক্রম রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা-২০২৫–এর লঙ্ঘন।

নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে আবদুর রাকিবের কাছ থেকে লিখিত জবাব চেয়ে নোটিশে আরও উল্লেখ করা হয়, ‘নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে আপনার (মো. আবদুর রাকিব) বিররুদ্ধ নির্বাচন কমিশনে কেন প্রতিবেদন পাঠানো হবে না কিংবা অপরাধ আমলে নিয়ে কেন বিচারকার্য সম্পন্ন করা হবে না, সে বিষয়ে ২৬ জানুয়ারি বেলা ১১টা ৩০ মিনিটে নওগাঁর সিভিল জজ আদালতের বিচারক মো. শিমুল সরকারের কার্যালয়ে হাজির হয়ে লিখিত ব্যাখ্যা প্রদানের জন্য নির্দেশ দেওয়া হলো।’

এ বিষয়ে আবদুর রাকিব বলেন, ‘আমার অনেক শুভাকাঙ্ক্ষী আমার নামে ফেসবুক আইডি খোলে প্রচার চালাচ্ছেন। যে ভিডিও বা প্রমাণ বিচারিক কমিটির কাছে দেওয়া হয়েছে তফসিল ঘোষণার আগের। আদালতের প্রতি সম্মান জানিয়ে যথাসময়ে আমি আমার বক্তব্য উপস্থাপন করব।’

এ নিয়ে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে নির্বাচনী অনুসন্ধান কমিটি আবদুর রাকিবকে দ্বিতীয় দফায় শোকজ করল। এর আগে ৮ জানুয়ারি নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে তাঁকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছিল। প্রচার শুরুর আগেই দাঁড়িপাল্লার পক্ষে ভোট চাওয়া ও ভোটারদের টাকা দেওয়ার অভিযোগে জামায়াতের এই প্রার্থীকে লিখিতভাবে ব্যাখ্যা জানাতে বলা হয়েছিল। ১৫ জানুয়ারি নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির চেয়ারম্যানের কাছে হাজির হয়ে লিখিতভাবে জবাব দেন আবদুর রাকিব। আচরণবিধি লঙ্ঘণের কারণে তখন ক্ষমা চান তিনি। তাঁকে সতর্ক করে সেই অভিযোগ থেকে মুক্তি দেয় নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটি।