ক্যাফেটেরিয়া সূত্রে জানা যায়, জুনের আগে ক্যাফেটেরিয়ায় সাধারণ খাবারের প্যাকেজ ছিল ২৪ টাকা। ১ জুলাই এই খাবারের দাম বেড়ে হয় ২৮ টাকা। ২০ নভেম্বর থেকে ৩০ টাকা হওয়ার কথা ছিল।

একইভাবে ছয় মাস আগের রুই মাছ, ভাত, ডালের প্যাকেজ ৩০ থেকে ৪০ টাকা; মুরগির মাংস, ভাত ও ডালের প্যাকেজ ৫০ থেকে ৬০ টাকা; মুরগির লটপটি, ভাত ও মাংসের প্যাকেজ ৪০ থেকে ৪৫ টাকা; সোনালি মুরগি ও ভাতের প্যাকেজ ৭০ থেকে ৯০ টাকা; চিকেন বিরিয়ানি ১০০ থেকে ১৫০ টাকা; মুগ ডাল ৫ থেকে ১০ টাকা এবং সবজি ৫ থেকে ১০ টাকা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়েছিল।

এ কে এম আরিফুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে তাঁরা দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। আগের মূল্যে খাবার বিক্রি করায় তাঁদের বেশ কিছুদিন ধরে একরকম লোকসান হয়েছে। কিন্তু খাবারের দাম বাড়ানোর পর এটা শিক্ষার্থীরা ভালোভাবে নেননি। তাঁদের অসুবিধা হবে, বিষয়টি মাথায় রেখে তাঁরা বর্ধিত মূল্যের নোটিশটি স্থগিত করেছেন। শিক্ষার্থীরা আগের মূল্যেই ভালো খাবার পাবেন।

লোকসানের বিষয়ে এ কে এম আরিফুল ইসলাম বলেন, শুক্র ও শনিবার বিশ্ববিদ্যালয়ে নানা ধরনের অনুষ্ঠান হচ্ছে। এগুলোর খাবার সরবরাহের দায়িত্ব পেলে ক্যাফেটেরিয়ার অল্প কিছু লাভ হয়। সেই লাভের অংশ দিয়ে শিক্ষার্থীদের ভালো খাবার পরিবেশন করবেন। তবে এ জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের এ ধরনের অনুষ্ঠান পেতে হবে।

এর আগে ১০ নভেম্বর দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণ দেখিয়ে খাবারের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয় ক্যাফেটেরিয়া কর্তৃপক্ষ। এটি কার্যকর হওয়ার কথা ছিল আজ থেকে। এর আগে ১ জুলাই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এ নিয়ে গত শুক্রবার প্রথম আলোতে ‘রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্যাফেটেরিয়ায় সাড়ে তিন মাসে দুই দফা বাড়ল খাবারের দাম’ শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়।