বিষয়টি বন বিভাগের নজরে পড়লে গতকাল সন্ধ্যার দিকে বন বিভাগের কুলাউড়া রেঞ্জের লোকজন ওই বাড়িতে গিয়ে লজ্জাবতী বানরটি উদ্ধার করেন। পরে বানরটি শিকলমুক্ত করে ওই দিন রাত আটটার দিকে স্থানীয় হাড়ারগজ সংরক্ষিত বনের বেকিছড়া এলাকায় ছেড়ে দেওয়া হয়।

বন বিভাগের কুলাউড়া রেঞ্জের বনপ্রহরী শরীফ আহমদ মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, লজ্জাবতী বানরটি মুক্তির পথ খুঁজছিল। ছেড়ে দেওয়ার পর বানরটি লাফিয়ে সেগুনগাছে উঠে যায়। আশপাশের কোনো জঙ্গল থেকে খাবারের খোঁজে এটি লোকালয়ে নেমে আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বন্য প্রাণী বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, লজ্জাবতী বানর লাজুক প্রকৃতির। আন্তর্জাতিক প্রকৃতি ও প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ সংঘের (আইইউসিএন) লাল তালিকার নয়টি ভাগের মধ্যে লজ্জাবতী বানরকে ‘বিপন্ন’ প্রাণী হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। বাংলাদেশের চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের চিরসবুজ বনে লজ্জাবতী বানরের দেখা মেলে। বাংলাদেশের ১৯৭৪ ও ২০১২ সালের বন্য প্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইনের তফসিল-১ অনুযায়ী লজ্জাবতী বানর সংরক্ষিত প্রাণী। লজ্জাবতী বানর নিশাচর। দিনের বেলায় এদের খুব কম দেখা যায়। খুব প্রয়োজন ছাড়া এরা সহজে বের হয় না।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন