পদ্মা সেতু দিয়ে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার মানুষ যাতায়াত করেন। আগে মানুষ শিমুলিয়া-বাংলাবাজার ও শিমুলিয়া-জাজিরা নৌপথে ফেরি, লঞ্চ ও স্পিডবোটে চলাচল করতেন। এখন পদ্মা সেতু থাকার কারণে সার্বক্ষণিক যাতায়াতের সুযোগ হয়েছে। এ কারণে সারা দিন বাড়িতে সময় কাটিয়ে অথবা প্রয়োজনীয় কাজ শেষে সন্ধ্যার পর ঢাকায় রওনা দিচ্ছেন দক্ষিণের বিভিন্ন জেলার বাসিন্দারা।

অপর দিকে রাতে পণ্যবাহী যানবাহন চলাচল করে বেশি। তখন একসঙ্গে অনেক যানবাহন টোল প্লাজার সামনে আসে।

জাজিরা প্রান্তের টোল প্লাজায় ছয়টি বুথে যানবাহন থেকে টোল আদায় করা হয়। একেকটি যানবাহন থেকে টোল আদায় করতে ৪০ থেকে ৫০ সেকেন্ড সময় লাগে।

বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের সহকারী প্রকৌশলী পার্থ সারথি বিশ্বাস প্রথম আলোকে বলেন, সারা দিন টোল প্লাজা দিয়ে স্বাভাবিক গতিতে যানবাহন চলাচল করে। সন্ধ্যার পরই যানবাহনের চাপ বেড়ে যায়। আবার রাত ১২টার দিকে যানজট কমে আসে।

পার্থ সারথি বিশ্বাস বলেন, গত সোমবার থেকে জাজিরা প্রান্তের টোল প্লাজায় এমন চিত্র দেখা যাচ্ছে।

খুলনা-ঢাকা চলাচলকারী এমাদ পরিবহনের চালক বেলায়েত হোসেন বলেন, ‘বিকেলে যে গাড়িগুলো ঢাকার দিকে রওনা হচ্ছে, সে গাড়িগুলো জাজিরা টোল প্লাজার সামনে যানজটে আটকা পড়ছে। তিন দিন যাবৎ এমন অবস্থা। এক ঘণ্টা অপেক্ষা করে সেতুতে উঠতে হয়।’

সেতুর জাজিরা প্রান্তের টোল প্লাজার ব্যবস্থাপক কামাল হোসেন বলেন, কয়েক দিন যাবৎ সন্ধ্যার পর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত যানজট থাকছে। ছয়টি বুথে টোল আদায় করে দ্রুত যানবাহন সেতুতে ওঠার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন