মাদ্রাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গতকাল সোমবার রাতের খাবার শেষে প্রতিদিনের মতো সবাই ঘুমাতে যায়। দিবাগত রাত সাড়ে তিনটা থেকে চারটার মধ্যে ওমর ঘুম থেকে উঠে দরজায় লাগানো তালা খুলে বারান্দা থেকে লাফ দেয়। তালা খোলার সময় এক শিক্ষার্থী বিষয়টি বুঝতে পেরে তার পেছন পেছন গিয়ে দেখে, সে নিচে বাঁশের মাচায় ঝুলে আছে। তখন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা দৌড়ে ভবনের নিচে নেমে মাচা থেকে তাকে উদ্ধার করে দ্রুত জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখান থেকে ক্রিসেন্ট হাসপাতালে নেওয়ার পর সকাল সাড়ে ১০টায় তার মৃত্যু হয়।

নিহত ওমরের মা বলেন, ‘আমার ছেলেটা ১২ পারা কোরআন মুখস্থ করেছে। সে মাদ্রাসায় পড়তে চাইত না। আমরা জোর করে তাকে মাদ্রাসায় পড়াতাম, যেন হাফেজ হতে পারে। এর আগেও সে অন্য আরেকটি মাদ্রাসা থেকে পালাতে গিয়ে ব্যথা পেয়েছে।’ তাঁদের কোনো অভিযোগ নেই বলেও তিনি জানান।

আখাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসাদুল ইসলাম বলেন, মাদ্রাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও সিসিটিভির ফুটেজ দেখে জানা যায়, ছেলেটা মাদ্রাসা থেকে পালাতে গিয়ে এ ঘটনা ঘটে। তবু তাঁরা লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতালে পাঠিয়েছেন।