ওই ছাত্রীর মা বলেন, গতকাল রাত ১০টার দিকে ওই ছাত্রী তাঁর চাচার বাড়ি থেকে বাড়ি ফিরছিলেন। বাড়ির কাছাকাছি পৌঁছালে দুই তরুণ ওই ছাত্রীর মুখ বেঁধে তুলে নিয়ে যায়। পরে সেখান থেকে স্থানীয় একটি মাঠে নিয়ে এক তরুণ ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ করে এবং অন্য তরুণ তাঁকে সহায়তা করেন।

এদিকে ওই ছাত্রী বাড়িতে না ফেরায় পরিবারের লোকজন তাকে খোঁজাখুঁজি শুরু করে। একপর্যায়ে তাঁরা ওই মাঠে গেলে দুই তরুণ সেখান থেকে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। পরে স্থানীয় লোকজন সেখানে হাতেনাতে এক তরুণকে ধরে ফেলে। তবে আরেক তরুণ সেখান থেকে কৌশলে পালিয়ে যায়।

খবর পেয়ে লোহাগড়া থানা–পুলিশ ওই তরুণকে আটক করে। পরে ওই তরুণের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযুক্ত আরেক তরুণকেও আটক করে পুলিশ। ঘটনার পর ওই স্কুলছাত্রীকে প্রথমে লোহাগড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে তাকে নড়াইল সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

লোহাগড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক খালিদ সাইফুল্লাহ বলেন, ওই ছাত্রীকে অসুস্থ অবস্থায় তাকে এখানে নিয়ে আসা হয়েছিল। প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ওই ছাত্রীকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও শারীরিক পরীক্ষার জন্য রাতেই নড়াইল সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

লোহাগড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাসির উদ্দিন প্রথম আলোকে বলেন, ওই ঘটনায় এলাকাবাসী এক তরুণকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে। পরে ওই তরুণের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আরেক তরুণকেও আটক করা হয়েছে। এ বিষয়ে মামলার প্রস্তুতি চলছে।