সমাবেশে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘কখনো বলিনি, দেশে জঙ্গিদের মূল উৎপাটন করেছি আমরা। শুধু আমাদের দেশ নয়, জঙ্গিবাদ একটি বৈশ্বিক সমস্যা। দেশে জঙ্গিবাদ আমরা নিয়ন্ত্রণে এনেছি, তবু তারা মাঝেমধ্যে গোপনে মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে। আদালতপাড়া থেকে যে দুই জঙ্গিকে ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে, আমাদের ধারণা, তারা পরিকল্পনামাফিক কাজটি করেছে। যারা এর সঙ্গে জড়িত, তাদের আমরা খুঁজে বের করব।’

জঙ্গি ছিনতাইয়ের সঙ্গে নিরাপত্তা বাহিনীর কোনো গাফিলতি ছিল কি না, তা তদন্ত করা হচ্ছে উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান বলেন, ঘটনাটির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের অবশ্যই শাস্তির আওতায় আনা হবে। এ ঘটনায় মন্ত্রণালয় ও পুলিশের পক্ষ থেকে দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন হাতে পেলে বিস্তারিত জানা যাবে।

আসাদুজ্জামান খান আরও বলেন, বিএনপি হুংকার দিচ্ছে, তারা ১০ তারিখে সারা দেশ থেকে লোক নিয়ে ঢাকা দখল করবে। তারা নাকি ওই দিন এক দফা দেবে। আওয়ামী লীগ সব সময়ই জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে চলে, জনতার শক্তিতে চলে। সে জন্যই আওয়ামী লীগ নির্বাচনে বিশ্বাস করে, জনতার শক্তিতে বিশ্বাস করে। যারা ষড়যন্ত্রে বিশ্বাস করে, বন্দুকের নল দিয়ে ক্ষমতায় আসে, তারা সব সময়ই এক ষড়যন্ত্রের পর আরেক ষড়যন্ত্র করবে। বিরাট জমায়েত করে তারা ক্ষমতা দখল করতে চায়। বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি, ভাঙচুর ও জানমালের ক্ষতি যদি করে, তাহলে নিরাপত্তা বাহিনী যা করা দরকার, তা করবে।

সমাবেশে বিশেষ অতিথি ছিলেন শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ুন, ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি সৈয়দ নূরুল ইসলাম, নরসিংদী-২ (পলাশ) আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আশরাফ খান, নরসিংদী-৩ (শিবপুর) আসনের সংসদ সদস্য জহিরুল হক ভূঁইয়া, সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য তামান্না নুসরাত , স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব আবুল ফজল মীর, জেলা প্রশাসক আবু নইম মোহাম্মদ মারুফ খান, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মনির হোসেন ভূঁইয়া, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জি এম তালেব হোসেন, সাধারণ সম্পাদক পীরজাদা কাজী মোহাম্মদ আলী, জেলা কমিউনিটি পুলিশের সভাপতি মশিউর রহমান। সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন নরসিংদীর পুলিশ সুপার কাজী আশরাফুল আজীম।