নাটোর-১ আসনে ভাই-বোনের লড়াই ‘শেষ হইয়াও হইল না শেষ’

মোহাম্মদ ইয়াসির আরশাদ ও ফারজানা শারমিনছবি: সংগৃহীত

নাটোর-১ (লালপুর-বাগাতিপাড়া) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে চূড়ান্ত তালিকায় আছে মোহাম্মদ ইয়াসির আরশাদ। তিনি গতকাল মঙ্গলবার নির্ধারিত সময় বিকেল পাঁচটার পর সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার হোয়াটসঅ্যাপে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের আবেদন করেন। কিন্তু এর আগেই চূড়ান্ত প্রার্থী হিসেবে তাঁর নাম নির্বাচন কমিশনে পাঠিয়ে দেন রিটার্নিং কর্মকর্তা।

এ আসনে মোহাম্মদ ইয়াসির আরশাদের বোন ফারজানা শারমিন বিএনপির প্রার্থী। তাঁরা দুজন বিএনপির প্রয়াত কেন্দ্রীয় নেতা ফজলুর রহমানের (পটল) সন্তান।

এ সম্পর্কে রিটার্নিং কর্মকর্তা আসমা শাহীন বলেন, মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের নির্ধারিত সময় ছিল মঙ্গলবার বিকেল পাঁচটা। এ সময়ের মধ্যে প্রার্থীকে সশরীর অথবা প্রার্থী নিজে স্বাক্ষর করে তাঁর মনোনীত ব্যক্তির মাধ্যমে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে আবেদন জমা দিতে হবে। হোয়াটসঅ্যাপে দরখাস্ত পাঠালে প্রত্যাহার হবে না।

এ ব্যাপারে জানতে মোহাম্মদ ইয়াসির আরশাদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি মুঠোফোন ধরেননি।

রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার বিকেল পাঁচটার মধ্যে যাঁরা মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছেন, তাঁদের বাদ দিয়ে চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা তৈরি করা হয়েছে। ওই তালিকা পাঁচটার পরপরই নির্বাচন কমিশনে পাঠানো হয়েছে। বিকেল পাঁচটার মধ্যে নাটোর-১ (লালপুর-বাগাতিপাড়া) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ ইয়াসির আরশাদ সশরীর হাজির হয়ে বা তাঁর স্বাক্ষর করে তাঁর মনোনীত কোনো ব্যক্তির মাধ্যমে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে প্রত্যাহারের আবেদনপত্র জমা দেননি। এ কারণে তাঁর নাম চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে নির্বাচন কমিশনে তালিকা পাঠানো হয়েছে।

আরও পড়ুন

লালপুরের ইউএনও ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা জুলহাস হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, ‘বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ ইয়াসির আরশাদ আমার হোয়াটসঅ্যাপে তাঁর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের আবেদন পাঠান। আমি তাৎক্ষণিক সেটা রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে পাঠিয়ে দিই। তিনি বিধি অনুসারে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।’