উপজেলা প্রকৌশল বিভাগ, জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ১৭ জুন ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা পানিতে তলিয়ে যায়। এ সময় উপজেলার বড়লেখা সদর ইউনিয়নের আরএইচডি বরইতলি-বড়লেখা জিসি ভায়া মুছেগুল–হিনাইনগর সড়কের দক্ষিণ হিনাইনগরের বালিছড়ায় প্রায় ১৩০ ফুট সড়ক পানিতে ভেসে যায়। জায়গাটির পাশেই উজানের পানি নেমে যেতে একটি ছোট কালভার্ট আছে। কিন্তু কালভার্টটি পানি টানতে পারেনি। এ সময় ঢলের পানিতে সড়ক ডুবে নিচের দিকে প্রবাহিত হতে থাকে। একপর্যায়ে ঢল কালভার্টের কাছে পাকা সড়কটির অংশ ধুয়েমুছে ভাসিয়ে নেয়। এতে এ এলাকার কেরামতনগর চা-বাগান, মুছেগুল, হিনাইনগর ও কুতুবনগর এলাকার মানুষ উপজেলা সদরসহ বাইরের সঙ্গে সড়কপথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েন। এ সড়ক দিয়ে উপজেলা সদরের স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী ছাড়াও স্থানীয় বড়খলা মাদ্রাস, মুছেগুল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও হিনাইনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীরা আসা যাওয়া করে। ভাঙনের অংশটি পড়েছে হিনাইনগর ও মুছেগুলের সংযোগস্থলে। সব ধরনের যান ভাঙনের অংশে এসে আটকে যাচ্ছে।

এদিকে পানি নামার কয়েক দিন পর সাময়িক চলাচলের সুবিধার্থে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ গ্রামবাসী ভাঙনের অংশে একটি বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করেছেন। এই সাঁকোই এখন তাঁদের যোগাযোগ রক্ষার ক্ষেত্রে অন্যতম ভরসা। নতুন করে স্থানটি সংস্কার না হওয়া পর্যন্ত সাঁকোই চলাচলের উপায়।

হিনাইনগর গ্রামের বাসিন্দা ও বড়লেখা উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক জুনেদ আহমদ গতকাল বুধবার বলেন, ‘যুবসমাজসহ সবার সমন্বয়ে চলার উপযোগী একটা সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে। এ সাঁকো দিয়েই চলাচল করছি সবাই।’

বড়লেখা উপজেলা প্রকৌশলী প্রীতম সিকদার জয় গতকাল প্রথম আলোকে বলেন, এ বছরের মধ্যেই এই ভাঙা অংশে একটি বড় কালভার্ট করে সংযোগ পুনঃস্থাপন করা হবে। তবে রাস্তার পুরো কাজ আগামী বছরের আগে করা যাবে না। মাটি ভালো করে না বসলে পিচ টিকবে না।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন