এ বিষয়ে অভিযুক্ত একজন প্রথম আলোকে বলেন, তাঁর আগে ওই রকম (মাদকের নেশা) অভ্যাস ছিল, এখন নেই। তাহলে কেন এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, জানতে চাইলে তিনি বলেন, নতুন সচিব এসেছেন হয়তো তিনি তাঁকে ভুল বুঝেছেন। ফোন বন্ধ থাকার কারণে অন্যজনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

জানতে চাইলে বিএমডিএর সচিব শরিফ আহম্মেদ বলেন, তিনি এক সপ্তাহ হচ্ছে এই পদে যোগদান করেছেন। দুই কর্মচারীর বিরুদ্ধে কিছু অভিযোগ পাওয়া গেছে। নির্বাহী পরিচালক ঢাকায় আছেন। তিনি আগামী রোববার ফিরবেন। ফিরলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এখানে বসিয়ে রেখে তাঁদের কোনো সংশোধনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

বিএমডিএর নির্বাহী পরিচালক মো. আবদুর রশীদ বলেছেন, তিনি ঢাকায় আছেন। দুই কর্মচারীর মধ্যে একজনকে পত্নীতলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নেশা করার অভিযোগে ধরেছেন। তিনিই এখানে পাঠিয়েছেন। তাঁদের শাস্তির ব্যাপারে তিনি শক্ত অবস্থানেই রয়েছেন। তবে নতুন সচিব হয়তো একটু নরম মনের। তিনি ভাবছেন পরিবার দুটি বিপদে পড়ে যাবে। তাঁদের সংশোধনের চেষ্টা করতে পারেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন