নাটোর রেলস্টেশন সূত্রে জানা যায়, রেলের অন্যান্য অস্থায়ী কর্মচারীদের মতো নাটোর রেলস্টেশনের ১১ জন অস্থায়ী কর্মচারী ভোর ছয়টা থেকে কর্মবিরতি শুরু করেন। কর্মচারীদের মধ্যে পয়েন্টস ম্যান, পোর্টার ম্যান ও সহকারী স্টেশনমাস্টাররা আছেন। এতে ভোর থেকে নাটোরের সঙ্গে উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চলের রেল যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। সকাল ৭টা ৪৫ মিনিটে রাজশাহী থেকে ছেড়ে আসা চিলাহাটিগামী আন্তনগর এক্সপ্রেস ট্রেনটি নাটোর রেলস্টেশনের দক্ষিণ প্রান্তে এসে দাঁড়ায়।

সিগন্যাল না পাওয়ায় ট্রেনটি সেখানে সোয়া ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকে। এ সময় স্টেশনে থাকা শত শত যাত্রী ভোগান্তিতে পড়ে। একসময় যাত্রীরা ক্ষুব্ধ হয়ে উঠলে স্টেশনের স্থায়ী কর্মচারীদের সহযোগিতায় ট্রেনটি স্টেশনে পৌঁছায় এবং চার মিনিট যাত্রাবিরতি শেষে ছেড়ে যায়। পরে স্টেশন দিয়ে অন্যান্য ট্রেন চলাচল করছে।

আন্দোলনকারী পয়েন্টস ম্যান আনিসুর রহমান বলেন, ‘আমরা দীর্ঘদিন অস্থায়ী ভিত্তিতে চাকরি করে আসছি। অথচ চাকরি স্থায়ী করা হচ্ছে না। ডিসেম্বরে আমাদের চাকরি থেকে সরানোর ষড়যন্ত্র চলছে। এ ছাড়া গত কয়েক মাসের বেতন বকেয়া আছে। তাই নিরুপায় হয়ে আমরা আন্দোলনে নেমেছি।’

সহকারী স্টেশনমাস্টার রেজাউল মল্লিক বলেন, ‘আমরা সরকারের কাছে ন্যায়সংগত সহানুভূতি চেয়েছি। সাড়া না পেয়ে আন্দোলন করতে বাধ্য হচ্ছি।’

নাটোর রেলস্টেশনের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অশোক কুমার চক্রবর্তী বলেন, অস্থায়ী কর্মচারীদের কর্মবিরতির কারণে স্থায়ী কর্মচারীদের দিয়ে ট্রেন চলাচল অব্যাহত রাখার চেষ্টা চলছে। তবে ট্রেন চলাচল কিছুটা ব্যাহত হচ্ছে। কারণ, স্টেশনে ট্রেন ক্রসিং দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।