পুলিশ, ওই হোটেলের একাধিক কর্মচারী ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার হিমেল বিদেশ থেকে ঢাকায় ফেরেন। সেখান থেকে বাড়িতে না গিয়ে গতকাল শনিবার সকালে মতলব দক্ষিণ উপজেলা সদরে আসেন। এরপর তিনি এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী তাঁর ছোট বোনের সঙ্গে দেখা করেন। বোনকে ওই উপজেলা সদরের পরীক্ষাকেন্দ্রে পাঠিয়ে কেন্দ্রের সামনে কিছুক্ষণ অবস্থান করেন। এরপর দুপুর ১২টায় ফেরিঘাট এলাকার আজমেরী আবাসিক হোটেলের ১৯ নম্বর কক্ষ ভাড়া নিয়ে সেখানে ওঠেন। কক্ষটির ভেতর ঢোকার পর আর তিনি বের হননি।

পুলিশ সূত্র জানায়, আজ রোববার দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত ওই কক্ষ বন্ধ থাকায় হোটেলটির এক কর্মচারী সেখানে তাঁকে অনেক ডাকাডাকি করলেও সাড়া মেলেনি। পরে হোটেল কর্তৃপক্ষ বিষয়টি মতলব দক্ষিণ থানার পুলিশকে জানালে ওই থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. রফিকের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল সেখানে যায়। পরে কক্ষটির দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে তাঁরা (পুলিশ) দেখতে পান, খাটের ওপরে ওই তরুণের লাশ পড়ে আছে। সেখান থেকে আজ বেলা আড়াইটায় লাশটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে পুলিশ।

মতলব দক্ষিণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ মহিউদ্দিন মিয়া বলেন, ওই তরুণের লাশে কোনো আঘাতের চিহ্ন নেই। লাশটির পাশে একটি ছোট্ট বোতল পাওয়া গেছে। তবে সেটি কিসের বোতল, তা বোঝা যাচ্ছে না। ময়নাতদন্তের জন্য পুলিশ লাশটি চাঁদপুর জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে। ওই প্রবাসী তরুণ কীভাবে মারা গেছেন, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর তা নিশ্চিত হওয়া যাবে।

হিমেলের পারিবারিক সূত্র জানায়, বিদেশ থেকে এসে কী কারণে বাড়িতে না গিয়ে তিনি আবাসিক হোটেলে উঠেছেন, তা তাঁরা জানেন না। তাঁর মৃত্যুতে পুরো পরিবার শোকে মুহ্যমান।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন