বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শরিফুল ইসলাম আওয়ামী লীগের দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ করেছেন। তাই তাঁকে নলডাঙ্গা উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য, পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি পদ, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সদস্য ও অন্যান্য শাখা থেকে তাঁকে বহিষ্কার করা হলো।

নলডাঙ্গা উপজেলা আওয়ামী লীগ সূত্রে জানা যায়, চলতি বছরের ১ মার্চ নাটোর শহরের দক্ষিণ বড়গাছা বুড়াদরগা এলাকার ভাড়া বাসা থেকে শরিফুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী পলি খাতুনের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহত পলির মা শামসুন্নাহার বেগম বাদী হয়ে সদর থানায় শরিফুল ইসলামের বিরুদ্ধে মামলা করেন। গ্রেপ্তার এড়াতে শরিফুল ইসলাম হাইকোর্ট থেকে আগাম জামিন নিয়ে আসেন। পরে অভিযোগে দাখিল জমা পর্যন্ত শরিফুল দায়রা জজ আদালত থেকে অস্থায়ী জামিন নেন। তদন্ত শেষে সম্প্রতি তাঁর বিরুদ্ধে স্ত্রীকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ এনে পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র জমা দিয়েছে। আদালত ওই অভিযোগপত্র গ্রহণ করে আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা দেন। এর পর গত বুধবার দুপুরে পুলিশ শরিফুলকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠায়। আদালত জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করে তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

এদিকে বিষয়টি উপজেলা আওয়ামী লীগের নজরে আসায় গতকাল সন্ধ্যায় উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতারা জরুরি সভা করেন। ওই সভায় শরিফুল ইসলামকে আওয়ামী লীগের সব পদ থেকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শুকুর বলেন, দ্বিতীয় স্ত্রীকে আত্মহত্যার ঘটনায় শরিফুলের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের সত্যতা পেয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠিয়েছে। এ অবস্থায় আওয়ামী লীগের তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা শরিফুলকে দলীয় সব পদ থেকে বহিষ্কারের জন্য দাবি জানান। এর পরিপ্রেক্ষিতে শরিফুলকে বহিষ্কার করা হয়।