ওজোপাডিকোর সূচিতে ১৩ জেলার লোডশেডিংয়ের তথ্য দেওয়া হয়েছে। বাকি আট জেলায় বিদ্যুতের ঘাটতি না থাকায় লোডশেডিংয়ের সূচি করা হয়নি। ওজোপাডিকোর লোডশেডিংয়ের আওতামুক্ত আটটি জেলা হচ্ছে বরিশাল, পটুয়াখালী, ভোলা, ঝালকাঠি, বরগুনা, গোপালগঞ্জ, শরীয়তপুর ও মাদারীপুর।

ওজোপাডিকো সূত্র জানায়, গতকাল এলাকাভিত্তিক লোডশেডিং শুরু হয়েছে। তবে ওজোপাডিকোর আওতাধীন সব জেলা লোডশেডিংয়ের আওতায় পড়ছে না। এর মধ্যে আটটি জেলায় লোডশেডিংয়ের প্রয়োজন হচ্ছে না। ওই আট জেলায় বিদ্যুতের ঘাটতি থাকছে না। এ জন্য ওই জেলাগুলোতে লোডশেডিং প্রয়োজন নেই।

সূত্র আরও জানায়, গতকাল রাত ৯টায় খুলনাসহ দক্ষিণাঞ্চলের ২১ জেলায় বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ২ হাজার ৮৯ মেগাওয়াট। চাহিদার বিপরীতে সরবরাহ ছিল ১ হাজার ৭৬১ মেগাওয়াট। ফলে বিদ্যুতের ঘাটতি দেখা দেয় ৩২৮ মেগাওয়াট। এর মধ্যে ওজোপাডিকোর ৫৮৫ মেগাওয়াট বিদ্যুতের চাহিদার বিপরীতে সরবরাহ করা হয় ৫১৯ মেগাওয়াট। ফলে ঘাটতি ছিল ৬৬ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ। এ ছাড়া পল্লী বিদ্যুতের ১ হাজার ৫০৪ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে সরবরাহ করা হয় ১ হাজার ২৪২ মেগাওয়াট। ফলে ঘাটতি ছিল ২৬২ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ।

ওজোপাডিকোর প্রধান প্রকৌশলী এবং নির্বাহী পরিচালক (প্রকৌশল, অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. মোস্তাফিজুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, দৈনিক লোডশেডিংয়ের সূচি এক দিন আগে প্রকাশ করা হবে। তবে সরবরাহের বিপরীতে ঘাটতি সাপেক্ষে সূচি প্রকাশ করা হবে। তিনি দাবি করেন, প্রতি ফিডারের আওতায় প্রতি ১২ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ একবার লোডশেডিং করা হচ্ছে। আবার প্রয়োজন না হলে লোডশেডিং হচ্ছে না। একবারে সর্বোচ্চ ১ ঘণ্টা লোডশেডিং করা হচ্ছে। এখন পর্যন্ত সূচি মেনেই লোডশেডিং করা হচ্ছে। কোথাও কোনো অভিযোগ তাঁরা এখনো পাননি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন