আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির সাধারণ সম্পাদক মো. আসাদুজ্জামান ভূঁইয়ার (ফুয়াদ) বছরে আয় ৭ লাখ ৪১ হাজার ৬০২ টাকা। এর মধ্যে ৩ লাখ ২৬ হাজার টাকা টিভি টক শো, ইউটিউব ও ফেসবুক থেকে আয় করেছেন তিনি। বাকি আয় আসে তাঁর আইনজীবী পেশার সম্মানী থেকে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসনের প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন কমিশনে আসাদুজ্জামানের দাখিল করা হলফনামায় এসব তথ্য পাওয়া গেছে। এবি পার্টির এই প্রার্থীকে সমর্থন দিয়ে বরিশাল–৩ আসনে প্রার্থী দেয়নি জামায়াতে ইসলামী।
হলফনামার তথ্য অনুযায়ী, আসাদুজ্জামানের কাছে মোট ৭ লাখ টাকার অস্থাবর সম্পদ আছে। এর মধ্যে হাতে নগদ দুই লাখ টাকা, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমা সাড়ে তিন লাখ ও দেড় লাখ টাকা মূল্যের ইলেকট্রনিক সামগ্রী আছে। স্ত্রীর অস্থাবর সম্পদ হিসেবে নগদ ৫০ হাজার টাকা ও ব্যাংকে জমা ১৮ হাজার টাকার কথা উল্লেখ করেছেন। এ ছাড়া স্ত্রীর নামে ১ লাখ টাকার ইলেকট্রনিক সামগ্রী ও ৫০ হাজার টাকার আসবাব আছে। উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া সম্পদ এখনো বণ্টন না হওয়ায় স্থাবর সম্পদের তথ্য দেননি।
হলফনামায় পেশা হিসেবে আইনজীবী উল্লেখ করেছেন আসাদুজ্জামান। তাঁর স্ত্রীর পেশা গৃহিণী। ২০২৫–২৬ করবর্ষে জমা দেওয়া আয়কর রিটার্নে ৬ লাখ ৪ হাজার ৯৩৫ টাকা আয়ের বিপরীতে ২০ হাজার টাকা কর দিয়েছেন। রিটার্নে দেখানো তাঁর মোট সম্পদের পরিমাণ ৫ লাখ ৯১ হাজার ২৮৪ টাকা।