চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (চাকসু) গঠনতন্ত্র সংস্কার ও দ্রুত তফসিল ঘোষণার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে শাখা বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রী। আজ বৃহস্পতিবার বেলা আড়াইটায় চাকসু ভবনের তৃতীয় তলায় সাংবাদিক সমিতির কার্যালয়ে এ সম্মেলন হয়। এতে তারা চাকসু নির্বাচনকে ঘিরে পাঁচ দাবি তুলে ধরে।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সংগঠনটির শাখার সাধারণ সম্পাদক ইয়াসিন আরাফাত। এতে তিনি চাকসুর ‘ছাত্রীবিষয়ক সম্পাদক’ পদটিকে ‘নারী অধিকারবিষয়ক সম্পাদক’ পদে রূপান্তর করার দাবি জানান। তিনি বলেন, একজন নারী শিক্ষার্থী এ পদে দায়িত্ব পালন করবেন। যিনি যৌন নিপীড়নবিরোধী সেল, নারী নির্যাতন ও নিপীড়ন প্রতিরোধে র্যাপিড টিম গঠন ও এই টিম পরিচালনা আর পর্যবেক্ষণে নিয়োজিত থাকবেন।’
সম্মেলনে সংগঠনটির পক্ষ থেকে পাঁচ দাবি দেওয়া হয়। এগুলো হলো চাকসুর ভোটকেন্দ্র একাডেমিক ভবনে রাখা; চাকসুর সদস্যপদ ও ভোটাধিকারের ক্ষেত্রে এমফিল ও পিএইচডিতে অধ্যয়নরতদের অগ্রহণযোগ্য হিসেবে বিবেচনা করা; দপ্তর সম্পাদক পদটি নারী-পুরুষ সবার জন্য উন্মুক্ত করা; সাইবার বুলিং প্রতিরোধ সেল গঠন করার পাশাপাশি এসব বুলিংয়ের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের ভোটাধিকার বাতিল করা এবং চাকসুর ভোটারদের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন শাখার বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রীর সভাপতি জশদ জাকির, সহসভাপতি সাইদুজ্জামান, সাধারণ সম্পাদক ইয়াসিন আরাফাত, সাংগঠনিক সম্পাদক রাম্রা সাইন মারমা, রাজনৈতিক শিক্ষা ও সংস্কৃতবিষয়ক সম্পাদক আহমেদ মুগ্ধ প্রমুখ। এতে তাঁরা অভিযোগ করেন, শিক্ষার্থীদের চেয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের রাজনীতি প্রবল। শিক্ষকদের এই প্রবল রাজনীতি না ভেঙে যদি চাকসু গঠন করা হয়, তাহলে শিক্ষার্থীদের রাজনীতি হুমকির মুখে পড়বে।