পুলিশ জানায়, আলোকবালী চরে কয়েক দিন পরপরই দুটি পক্ষ টেঁটা-বল্লমের মতো দেশীয় অস্ত্র ও আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে ঝগড়া-বিবাদে লিপ্ত হয়। সম্প্রতি দেশীয় অস্ত্রের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ককটেল বিস্ফোরণ। দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টির জন্য প্রায়ই ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ জানতে পারে, ইমান হাসান নামের এক ব্যক্তির বাড়িতে বেশ কিছু ককটেল ও বোমা বানানোর সরঞ্জাম আছে।

থানা-পুলিশের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ওই সংবাদের ভিত্তিতে বেলা তিনটার দিকে আলোকবালী পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ উপপরিদর্শক ইউসুফ আলী খানের নেতৃত্বে তাঁর বাড়িতে অভিযানে যায় পুলিশ। অভিযানে অবিস্ফোরিত তিনটি ককটেল ও বোমা বানানোর বেশ কিছু সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়। পরে ইমান হাসানকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ।

নরসিংদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কাশেম ভূঁইয়া গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ককটেল, বোমা বানানোর সরঞ্জামসহ আওয়ামী লীগ নেতাকে গ্রেপ্তারের ঘটনায় মামলা হবে।

পুলিশের ভাষ্য, গ্রেপ্তার ইমান হাসানের বিরুদ্ধে থানায় আগেই দুটি মামলা আছে। একটি নির্বাচনী সহিংসতায় তিনজনকে হত্যার ঘটনায়, অন্যটি লুটপাট, মারধর ও চাঁদাবাজির অভিযোগে করা। বর্তমানে ওই দুই মামলায় তিনি জামিনে আছেন।

এ বিষয়ে আলোকবালী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. আসাদুল্লাহ বলেন, ‘আমাদের সাংগঠনিক সম্পাদক ইমান হাসানকে আজ বিকেলে ঘুম থেকে উঠিয়ে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। প্রতিপক্ষের লোকজন তাঁর বাড়িতে পরিত্যক্ত ককটেল ও বোমা তৈরির সরঞ্জাম রেখে তাঁকে ফাঁসিয়েছে। আমরা বিষয়টি খতিয়ে দেখছি, কারা এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত। জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’